আল ইহসান ডেস্ক:
গত ৭ অক্টোবর থেকে ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় নির্বিচারে বোমা হামলা শুরু করে ইহুদিবাদী সন্ত্রাসী ইসরায়েল। এর মধ্যেই ২৮ অক্টোবর থেকে স্থল অভিযান শুরু করে দেশটির পদাতিক বাহিনী। এরই মধ্যে ৮২তম দিনে পৌঁছেছে এই যুদ্ধ। এই সময়ে দখলদার সন্ত্রাসী ইসরায়েলি বাহিনীর বর্বর আগ্রাসনে ২১ হাজার ফিলিস্তিনি শহীদ হয়েছে। এর মধ্যে ১৪ হাজারেরও বেশি নারী ও শিশু। আহত হয়েছে আরও প্রায় ৫৫ হাজার ফিলিস্তিনি।
এই বর্বর আগ্রাসনের কারণে বিশ্বব্যাপী সমালোচনার মুখে পড়েছে দখলদার সন্ত্রাসী ইসরায়েল। তবু থামছে না নির্বিচার বোমা হামলা ও স্থল বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় নির্বিচারে বোমা হামলা ও স্থল অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে দখলদার সন্ত্রাসী ইসরায়েল। টানা আড়াই মাসেরও বেশি সময় ধরে চালানো এই হামলায় ২১ হাজার ফিলিস্তিনি শহীদ হয়েছেন। বর্বর এই আগ্রাসনের জেরে দখলদার সন্ত্রাসী ইসরায়েলের বিরুদ্ধে বিশ্বজুড়ে বাড়ছে ক্ষোভ।
এই যুদ্ধে দখলদার সন্ত্রাসী ইসরায়েলকে ২৩০টি কার্গো প্লেন ও ২০টি জাহাজ বোঝাই অস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জাম দিয়েছে বিশ্ব সন্ত্রাসী আমেরিকা। গাজায় সংঘাত শুরুর পর থেকে এসব অস্ত্র দিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
দখলদার সন্ত্রাসী ইসরায়েলি গণমাধ্যমের প বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
অস্ট্রেলিয়ায় তীব্র বজ্রঝড়ে ৯ জন নিহত হয়েছে। তথাকথিত বড়দিনের ছুটিতে দেশটির পূর্বাঞ্চলে প্রচ- ঝড়ের মধ্যে প্রাণহানির এই ঘটনা ঘটে। এছাড়া ঝড়ের জেরে এখনও বিদ্যুৎবিহীন অবস্থায় রয়েছে ৯০ হাজারেরও বেশি পরিবার।
গতকাল ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) (২৭ ডিসেম্বর) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা রয়টার্স।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অস্ট্রেলিয়ায় তথাকথিত বড়দিনের ছুটির মধ্যে দেশটির পূর্বাঞ্চলে প্রচ- বজ্রঝড়ে ৯ জন নিহত হয়েছে বলে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। মূলত গত ২৫ এবং ২৬ ডিসেম্বর ভিক্টোরিয়া, নিউ সাউথ ওয়েলস ও কুইন্সল্যান্ড প্র বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র ফযর নামায শেষে বিষয়টি নিয়ে আমরা পুনরায় আলোচনা করতে লাগলাম। পরে পবিত্র যিকির উনার লফজ বা শব্দটি আবিষ্কার করতে সমর্থ হলাম। লফজ বা শব্দটি ছিলো, “সুবহানাল্লাহ! সুবহানাল্লাহ! সুবহানাল্লাহ।”
আমার যাওজুল মুকাররাম, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদ গিয়াসুদ্দীন রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বললেন, “এ যিকির আলমে আরওয়াহ (রূহের জগতে) সকল ইনসানের জন্য নির্দ্ধারিত ছিলো। এটাই ওই জগতের একমাত্র ইবাদত হিসেবে নির্দ্ধারিত রয়েছে। এ ইবাদতের উপর নির্ভর করেই বান্দাগণ দুনিয়ায় নিজ মর্যাদা-মর্তবা লাভ করে জন্ম নেয়। কেউ ওলীআল্লাহ উনাদের ঘরে, কেউ আলিমের, কেউ জা বাকি অংশ পড়ুন...
পূর্ব প্রকাশিতের পর
কাজেই এ থেকে বুঝা যায়, উনার মর্যাদা, উনার মর্তবা-ফযীলত, উনার খুছূছিয়ত, উনার বৈশিষ্ট্য কত অপরিসীম। বিষয়টা তো সোজা বিষয় নয়। যিনি নূরে মুজাসসাম, যিনি সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, যিনি খাতামুন নাবিয়্যীন হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার অনুরূপ উনার সমস্ত কিছু ছিলো। এটা তো সোজা বিষয় নয়। এবং স্বয়ং যিনি হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ ছিদ্দীক্বাহ আলাইহাস সালাম তিনি নিজেই এটা বলেন-
مَا رَأَيْتُ أَحَدًا أَشْبَهَ
আমি কাউকে দেখিনি অনুরূপ, এতো মুশাবাহা, এতো মিল। এবং তিনি অন্য হাদীছ শরীফ-এ বলেছেন, অনেক সময় বাকি অংশ পড়ুন...
বাগেরহাটে হযরত খানজাহান আলী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার মাজার শরীফের কাছে রণবিজয়পুর এক গম্বুজ মসজিদটি অবস্থিত। মসজিদটি দরিয়া খাঁর মসজিদ, ফকিরবাড়ি মসজিদ নামেও পরিচিত, এবং মসজিদের দক্ষিণ দিকের দিঘিটি দরিয়া খাঁর দিঘি নামেও পরিচিত ছিল।
রণবিজয়পুর মসজিদ বাংলাদেশের এক গম্বুজ বিশিষ্ট মসজিদের মধ্যে স্থাপত্যর দিক থেকে সর্ববৃহৎ মসজিদ। বাগেরহাট-ষাটগম্বুজ সড়কে এই ঐতিহাসিক মসজিদটির অবস্থান। মসজিদটি বাংলাদেশের সবচেয়ে সংরক্ষিত একটি মসজিদ এবং স্থাপত্য শৈলীর বিচারে এটি খানজাহান আলী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার সময়ে নির্মিত বলে মনে করা হয়।
বাকি অংশ পড়ুন...
২২ ক্যারেট ১ ভরি সোনার দাম ১,১১,০৪১ টাকা
২২ ক্যারেট ১ আনা সোনার দাম ৬,৯৪০ টাকা
২১ ক্যারেট ১ ভরি সোনার দাম ১,০৬,০২৬ টাকা
২১ ক্যারেট ১ আনা সোনার দাম ৬,৬২৭ টাকা
২২ ক্যারেট ১ ভরি রূপার দাম ১,৭১৪ টাকা
২২ ক্যারেট ১ আনা রূপার দাম ১০৭ টাকা
বাকি অংশ পড়ুন...
যখন কেউ এ ধরনের সমস্যা নিয়ে আসে তখন আমরা প্রথমে রোগীর ইভ্যালুয়েশন করি, রোগটা দেখি এবং বিবেচনা করি। বয়স কত, জীবনাচরণ কেমন, শরীরের কী অবস্থা, আগে থেকে কোনো রোগ আছে কিনা ইত্যাদি বিবেচনায় নিয়ে আসি। এসবের ওপর ভিত্তি করে আমরা আসলে ফোকাস করি রোগীর কী হয়েছে। কেন রোগী কষ্ট পাচ্ছে। এরপর আমরা সরেজমিনে পরীক্ষা করি-রক্তশূন্যতা আছে কিনা, তার পালস কেমন। পাশাপাশি আমরা তার হাঁটু পরীক্ষা করি, ঘাড়ে সমস্যা থাকলে ঘাড় পরীক্ষা করি। এরপর আমরা দেখি তার আর কোনো পরীক্ষা-নিরীক্ষা লাগবে কিনা। আমাদের যদি বিবেচনায় আসে পরীক্ষা নিরীক্ষা না করলেও চলবে তখন ওষুধ বাকি অংশ পড়ুন...
একবার কিছু লোক কোথাও থেকে অনেক ছাগল লুট করে কূফায় নিয়ে এলো এবং সেগুলোকে কূফার বাজারে বিক্রি করে দিল। তখন লুটের ছাগলগুলো কূফার অন্য সব ছাগলের সঙ্গে মিশে গেল। তাই লুটের ছাগল আলাদা করে চেনার কোনো উপায় ছিল না। সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামে আ’যম আবু হানিফা রহমতুল্লাহি আলাইহি এ ঘটনা জানতে পেরে লোকদের জিজ্ঞেস করলেন, একটি ছাগল সর্বোচ্চ কত বছর জীবিত থাকতে পারে?
লোকেরা বলল, সর্বোচ্চ সাত বছর।
এরপর সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামে আ’যম আবু হানিফা রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি কূফায় অবস্থানকালে সাত বছর পর্যন্ত ছাগলের কোনো গোশত খেলেন না। কারণ, উনার কাছে লুট বাকি অংশ পড়ুন...
হযরত মালেক দীনার রহমাতুল্লাহি আলাইহি তিনি দামেশক নগরীর একজন ধনী অধিবাসী ছিলেন। তিনি হযরত মুয়াবিয়া রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার নির্মিত দামেশক জামে মসজিদে এক বছর ই’তিকাফ করেছিলেন। উনার উদ্দেশ্য ছিল সেই মসজিদের মুতাওয়াল্লী হওয়া। তিনি আশা করেছিলেন, যদি তিনি সেখানে ইবাদতে মশগুল থাকেন তবে সবাই বিশ্বাস করে উনাকে মুতাওয়াল্লী নিযুক্ত করবেন। তিনি সর্বক্ষণ নামাযে ও ইবাদতে মশগুল থাকতেন। এভাবে এক বছর অতিবাহিত হয়ে যায়।
একদিন রাতে তাহাজ্জুদ নামাজ পড়ার জন্য ওযূ করার উদ্দেশ্যে তিনি মসজিদ থেকে বের হলেন। হঠাৎ শুনতে পেলেন, কে যেন বলছে বাকি অংশ পড়ুন...
এই নাজাতপ্রাপ্ত দলের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো উনারা আক্বীদা-আমল, ইবাদত-বন্দেগী, স্বভাব-চরিত্র ও আচার-ব্যবহার সর্বদিক থেকে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সুন্নত মুবারক আঁকড়ে ধরে তা পরিপূর্ণভাবে বাস্তবায়নকারী হবেন। উনাদের নিকট দ্বীনের ব্যাপারে কোনো বিদয়াত খুঁজে পাওয়া যাবে না। উনারা মহান আল্লাহ পাক এবং রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের সাথে সর্বোচ্চ আদব রক্ষা করে চলবেন।
আর দ্বিতীয় বিষয়টি হলো দীর্ঘ আকাক্সক্ষা। মানুষের আকাক্সক্ষা হলো দুনিয়াতে অনেকদিন বেঁচে থাকবে, অনেক ধন-সম বাকি অংশ পড়ুন...












