নিজস্ব প্রতিবেদক:
চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত সময়ে বেকারের সংখ্যা বেড়েছে ২ লাখ ৭০ হাজার। এর আগে গত ডিসেম্বর পর্যন্ত বেকারের সংখ্যা ছিল ২৩ লাখ ২০ হাজার। মার্চে তা দাঁড়িয়েছে ২৫ লাখ ৯০ হাজার। গত বছর গড় বেকার ছিল ২৬ লাখ ৩০ হাজার।
গতকাল ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) ত্রৈমাসিক শ্রম শক্তি জরিপ প্রকাশ করে এ তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস)।
ত্রৈমাসিকের জরিপ অনুযায়ী, মার্চ পর্যন্ত বেকারদের মধ্যে পুরুষের সংখ্যা ১৭ লাখ ১০ হাজার জন। আর বেকার নারী ৮ লাখ ৮০ হাজার।
গত শ্রম জরিপ ২০২২ অনুযায়ী, পুরুষ ১৬ লাখ ৬০ হাজার আর বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব প্রতিবেদক:
সুদানে সামরিক বাহিনী ও আধা সামরিক বাহিনীর মধ্যে সংঘাতের কারণে আটকে পড়া বাংলাদেশিদের সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। ইতোমধ্যে আটটি বাসে করে ৪ শতাধিক বাংলাদেশিকে দেশটির রাজধানী খার্তুম থেকে পোর্ট সুদানে নেওয়া হচ্ছে।
স্থানীয় সময় গতকাল ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) সকাল সাড়ে ৮টায় তাদের নিয়ে বাসগুলো রওনা দেয়। খার্তুমে বাংলাদেশের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূত তারেক আহমেদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তারেক আহমেদ বলেন, এখানে আরও চারটি বাস প্রস্তুত আছে। আরও যেসব বাংলাদেশি আসছেন, তাদের নিয়ে বাসগুলো পরে রওনা দেবে।
গত রোববার (৩০ এপ্রিল) বিকে বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব প্রতিবেদক:
ঈদুল ফিতরের যাত্রায় সড়ক, রেল, নৌ-পথে সর্বমোট ৩৪১টি যানবাহন দুর্ঘটনায় ৩৫৫ জন নিহত এবং ৬২০ জন মানুষ আহত হয়েছেন। এর মধ্যে ৩০৪টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৩২৮ জন নিহত ও ৫৬৫ জন আহত হয়েছেন। রেলপথে ২৭টি ঘটনায় ২২ জন নিহত ও ৫৫ জন আহত হয়েছেন। নৌ-পথে ১০টি দুর্ঘটনায় ৫ জন নিহত ও ২২ জন নিখোঁজ রয়েছেন।
গতকাল ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) তোপখানা রোডের শিশু কল্যাণ পরিষদ মিলনায়তনে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি আয়োজিত 'ঈদযাত্রায় দুর্ঘটনা প্রতিবেদন প্রকাশ' শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান সমিতির মহাসচিব মুহম্মদ মোজাম্মেল হক চৌধুরী।
ঈদযাত্ বাকি অংশ পড়ুন...
(৩২)
মিছর বা শহরের ব্যাখ্যা
মিছর বা শহরের তা’বীল বা ব্যাখ্যা হযরত ইমাম-মুজতাহিদ রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনারা প্রদান করেছেন। সম্মানিত হানাফী মাযহাব উনার ইমাম রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনাদের মধ্যে শহরের ব্যাখ্যায় বিভিন্ন ইখতিলাফ বা মতভেদ পরিলক্ষিত হয়। যেমন শহরের ব্যাখ্যায় কেউ বলেন-
১. শহর ওই স্থানকে বলে, যেখানে সর্বপ্রকার পেশার লোক বাস করে এবং প্রয়োজনীয় সকল আসবাবপত্র পাওয়া যায়।
২. কেউ বলেন, শহর ওই স্থানকে বলে, যে স্থানে দশ হাজার লোক অথবা দশ হাজার সৈন্য বাস করে।
৩. আবার কেউ বলেন, শহর ওই স্থানকে বলে, যেখানে এত পরিমাণ লোক বাস করে, যদি তাদের বাকি অংশ পড়ুন...
এ প্রসঙ্গে “ফাওয়ায়েদুল ফুওয়াদ” নামক কিতাবে উল্লেখ আছে যে, একদা দিল্লীর ৫০০ আলিমের সাথে সুলত্বানুল আউলিয়া হযরত নিযামুদ্দীন আউলিয়া রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার বাহাছ হয়। কারণ দিল্লীর সেই আলিমরা অপবাদ দিয়েছিল যে, হযরত নিযামুদ্দীন আউলিয়া রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি গান-বাজনা করেন। বাহাছে যখন এ প্রশ্ন উত্থাপন করা হলো- তখন হযরত নিযামুদ্দীন আউলিয়া রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন, আমি কস্মিনকালেও গান-বাজনা করিনা বরং আমি সামা করি। আর আমার সামা পাঠের শর্ত হচ্ছে- (১) সেখানে কোন বাদ্য-যন্ত্র থাকবে না, (২) কোন বেগানা মহিলা থাকবে না, (৩) কোন নাবালেগ দা বাকি অংশ পড়ুন...
আর সেটাই মহাসম্মানিত হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে দেখা যাচ্ছে, হযরত ইবনে উমর রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বর্ণনা করেন।
أَنَّ اُمُّ الْمُؤْمِنِيْنَ سَيِّدِتُنَا حَضْرَتْ الرَّابِعَةَ عَلَيْهَا السَّلَامُ قَتَلَتْ جَارِيَةً لَهَا سَحَرَتْهَا،
উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত আর রবিয়া’হ আলাইহাস সালাম উনার এক দাসি ছিল, যেই দাসিটা উনাকে জাদু করেছিল। জাদু ক্রিয়া করতে পারেনি। কিন্তু তিনি তার শাস্তি দিলেন মৃত্যুদন্ড। তাকে ক্বতল করা হলো। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! তাহলে দেখা যাচ্ছে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম, হযরত বাকি অংশ পড়ুন...
দেশে ও জনগণের টাকা প্রকল্পের নামে হয় চুরি। পুকুর চুরি নয়; সাগর চুরি। কিন্তু জনগণ থাকে অন্ধকারে। বর্তমানে সরকারি-বেসরকারি কোনো পর্যায়েই দুর্নীতি বন্ধ নেই। খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা, চিকিৎসা সবক্ষেত্রেই শুধু দুর্নীতি আর দুর্নীতি। দেশ ও জনগণের সচেতনতার জন্য ধারাবাহিকভাবে এখানে উল্লেখ করা হলো:
মাত্র ৩০ সেকেন্ডের মধ্যে মোটরসাইকেল চুরি করে তারা
সংঘবদ্ধ মোটরসাইকেল চোরচক্রের দুই সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-৩। গত শনিবার দিবাগত রাতে তাদের নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জের আদমজীনগর এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার দুই বাকি অংশ পড়ুন...
(পুনঃপ্রকাশিত)
অত্র মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মাধ্যমে সম্মানিত জিহাদ মুবারক করার সম্মানিত সুন্নত মুবারক উনার বিষয়টি সুস্পষ্ট ভাবে প্রকাশিত হয়েছে। এই সম্মানিত জিহাদে কাফির মুশরিকদের পতাকাবাহীরা একের পর এক নিহত হলে এক পর্যায় কাট্টা কাফির মুসাফি ইবনে ত্বলহা পতাকা তুলে নেয়। হযরত আসিম ইবনে ছাবিত রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি এই কাফিরটাকে মুহূর্তের মধ্যে হত্যা করেন। তারপর তার ভাই কাট্টা কাফির আল জুলাস ইবনে ত্বলাহ মতান্তরে কাট্টা কাফির কিলাব ইবনে ত্বলাহ পতাকাটি নিলে তাকেও তিনি তীর নিক্ষেপ করে হত্যা করেন।
উল্ বাকি অংশ পড়ুন...












