নিজস্ব প্রতিবেদক:
হিন্দুত্ববাদী উগ্র সংগঠন ইসকন বাংলাদেশে পরিকল্পিতভাবে হত্যালীলা খেলছে বলে মন্তব্য করেছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক মাহিন সরকার।
তিনি বলেন, ভারতীয় আগ্রাসন বিরোধী আন্দোলনের অন্যতম শহীদ আবরার ফাহাদকে ইসকনের সদস্যরাই হত্যা করেছিল। এবার সেই পরিকল্পনার অংশ হিসেবে চট্টগ্রামে অ্যাডভোকেট সাইফুল ইসলামকে হত্যা করেছে। সুতরাং এই ইসকনের কোনো অস্তিত্ব আর বাংলাদেশে থাকতে পারে না।
গতকাল ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন আয়োজিত শোক ও সম্প্রীতি স বাকি অংশ পড়ুন...
চট্টগ্রাম সংবাদদাতা:
হিন্দুত্ববাদী সংগঠন ‘ইসকন’ নিষিদ্ধের দাবি জানিয়েছে ব্যাপক বিক্ষোভ হয়েছে দেশজুড়ে। বিশেষ করে চট্টগ্রামে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতৃত্বে নগরের টাইগার পাস মোড়ে বড় ধরণের বিক্ষোভ সমাবেশ হয়েছে।
বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তব্য দিয়ে হিন্দুত্ববাদী সংগঠন ‘ইসকন’ নিষিদ্ধের দাবি জানান জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক সারজিস আলম ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহবায়ক হাসনাত আবদুল্লাহ। একই সঙ্গে আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফ হত্যাকা-ে জড়িতদের গ্রেফতারের দাবি জানান তারা।
হাসনা বাকি অংশ পড়ুন...
চট্টগ্রাম সংবাদদাতা:
চট্টগ্রাম আদালতের আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফ হত্যার প্রতিবাদে আজ বৃহস্পতিবার (২৮ নভেম্বর) দ্বিতীয় দিনের মতো আদালত বর্জনসহ সব ধরনের কার্যক্রম স্থগিত রাখার ঘোষণা দিয়েছে জেলা আইনজীবী সমিতি। এ ছাড়াও জেলা আইনজীবী সমিতির পক্ষ থেকে দোয়া মাহফিলের আয়োজনসহ আরও পাঁচ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
গতকাল ইয়াওমুল আহাদ (বুধবার) চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন চৌধুরী এবং সাধারণ সম্পাদক আশরাফ হোসেন চৌধুরী রাজ্জাক স্বাক্ষরিত এক বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে এসব সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।
আইনজীবী সাইফুল ইস বাকি অংশ পড়ুন...
চট্টগ্রাম সংবাদদাতা:
অ্যাডভোটে সাইফুল ইসলাম আলিফ নওমুসলিমদের মামলা পরিচালনা করতেন। তাদের পাশে দাঁড়াতেন এই তরুণ আইনজীবী। যারা অন্যধর্ম ত্যাগ করে দ্বীন ইসলামের সুশীতল ছায়ায় আসার আগ্রহ দেখাতেন তিনি তাদেরও আইনী সহযোগিতা দিতেন।
এমন তথ্য জানিয়ে তার সহকর্মী আইনজীবীরা বলছেন, এই কারণেই উগ্রবাদী ইসকনের সমর্থকরা তাকে টার্গেট করেছে। আর তাকে প্রকাশ্যে দিনের আলোতে কুপিয়ে হত্যা করেছে।
কয়েকজন আইনজীবী জানান, ইসকন সন্ত্রাসীরা আলিফকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করেছে। কারণ তার ওপর উগ্রবাদীরা আগে থেকে ক্ষিপ্ত ছিল। আলিফ হিন্দু ধর্ম ত্যাগ করে বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব প্রতিবেদক:
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) হিসাবে সুস্থভাবে জীবনধারণের জন্য প্রতিদিন যে পরিমাণ খাদ্যশক্তি (২ হাজার ১০০ কিলোক্যালরি) গ্রহণ করতে হয়, তাতে প্রতি মাসে ব্যয় হওয়ার কথা ১ হাজার ৮০০ টাকা।
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) হিসাবে সুস্থভাবে জীবনধারণের জন্য প্রতিদিন যে পরিমাণ খাদ্যশক্তি (২ হাজার ১০০ কিলোক্যালরি) গ্রহণ করতে হয়, তাতে প্রতি মাসে ব্যয় হওয়ার কথা ১ হাজার ৮০০ টাকা। সরকারিভাবে এটিকেই ফুড পোভার্টি লাইন বা খাদ্য দারিদ্র্যসীমা হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে।
বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির (ডব্লিউএফপি) চলতি বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কুরআন শরীফে ইরশাদ মুবারক করেন-
إِنَّ الْكَافِرِيْنَ كَانُوْا لَكُمْ عَدُوًّا مُّبِيْنًا
অর্থ: হে ঈমানদাররা! নিশ্চয়ই কাফিররা তোমাদের প্রকাশ্য শত্রু। (সূরা নিসা: আয়াত শরীফ ১০১)
বাকি অংশ পড়ুন...
শয়তান যে মানুষকে নেক সুরতে ধোঁকা দেয়, এ বিষয়টি ভালভাবে অনুধাবন করেছিল শয়তানের অনুচর ইহুদী এবং খ্রিষ্টানরা। মুসলমানদের সোনালী যুগ এসেছিল শুধু ইসলামের পরিপূর্ণ অনুসরণের ফলে। শয়তানের চর ইহুদী খ্রিষ্টানরা বুঝতে পেরেছিল মুসলমানদের মধ্যে বিভেদ, অনৈক্য, সংঘাত সৃষ্টি করতে পারলেই ইসলামের জাগরণ এবং বিশ্বশক্তি হিসেবে মুসলমানদের উত্থান ঠেকানো যাবে। আর তা করতে হবে ইসলামের মধ্যে ইসলামের নামে নতুন মতবাদ প্রবেশ করিয়ে। শুরু হয় দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা; যার মূলে থাকে খ্রিষ্টীয় ব্রিটিশ সম্রাজ্যবাদ। জন্ম হয় ওহাবী মতবাদের। ওহাবী মতবাদ বাকি অংশ পড়ুন...
আফগান সাধারণ মুসলিম সমাজ নিয়ে কথা বলতে গিয়ে অনেকে অজ্ঞতার কারণে হোক বা ইচ্ছাকৃত বিভেদ সৃষ্টির লক্ষে হোক তাদেরকে ‘কট্টরপন্থী’ হিসেবে আখ্যা দিয়ে থাকে। অর্থাৎ আফগান সমাজ তাদের মতে ভিন্ন মতাদর্শীদের প্রতি অসহনশীল একটি সমাজ। কিন্তু বাস্তবতা আসলে কি?
সর্বপ্রথম আমাদের জেনে রাখতে হবে যে, মাওলানা রূমী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার বিচরণস্থল আফগানিস্তান। দেশটি আহলুস সুন্নাহ ওয়াল জামায়াতের অনুসারী; বিশুদ্ধ তাওহীদের দেশ যা শরীয়ত ও তরীকতের সকল দিক বাস্তবায়িত করছে।
দেশটির অধিবাসীদের প্রায় ৯০ শতাংশ বা তার বেশি মাযহাবগত হানাফী, আক্বীদাগ বাকি অংশ পড়ুন...
মারহাবা মারহাবা, ত্বলায়াল শাহযাদা
মাদানী ধারাতে, নববী আক্বিদা
মুবারক বিলাদত, খোদায়ী ইরাদা।
আরশে আযিমে, মহা ঈদ আঞ্জামে
ফেরেশতা মালাইক, পড়েন সুবহ শামে
আসসালাতু আলাই, ওয়াসসালামু আলাই
কবিতা কালামে, হামেশা সালামে
বেকারার গোলামে, শাহী ইশকে ফিদা।
৯ই রমাদানে, এসেছেন ভুবনে
শুভ আগমনে, খুশি জনে জনে
আলিশান সিলসিলায়, এসেছেন এ বাংলায়
আশিক ইশকী সামায়, পড়ি তাই ক্বাছিদা।
রাসুলী নিয়ামত, খোদায়ী রহমত
ওয়ালিদাইনি নিসবত, খলিফা হযরত
হাবীবী মহিমায়, এসেছেন কায়িনায়
গোলাম শাহী ছানায়, রুযু রই সর্বদা।
করি আরজি, আক্বা শাহজাদাজী
দিলে চাই মুহতাজি, অ বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন-
لَتَجِدَنَّ أَشَدَّ النَّاسِ عَدَاوَةً لِّلَّذِيْنَ آمَنُوا الْيَهُوْدَ وَالَّذِيْنَ أَشْرَكُوْا
অর্থ: (হে আমার সম্মানিত হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!) আপনি অবশ্যই ঈমানদারদের জন্য মানুষের মধ্যে সবচেয়ে বড় শত্রু হিসেবে পাবেন ইহুদী ও মূর্তিপূজারী মুশরিকদেরকে। (সূরা মায়িদা শরীফ-৮২)
বাকি অংশ পড়ুন...
ইলিম অর্জন করা পুরুষ-মহিলা সকলের জন্যই ফরয। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি পুরুষ-মহিলা সকলের জন্য ইলিম অর্জন করা ফরয ঘোষণা করেছেন। পুরুষ ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুমগণ যেভাবে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার কাছে তালিম নিতেন মহিলাগণ উনারাও অনুরূপভাবে তা’লীম নিতেন। পর্দার পবিত্র আয়াত শরীফ নাযিল হওয়ার পর শরয়ী পর্দার সাথে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের নিকট তা’লীম মুবারক গ্রহণ করতেন। নূরে মুজাসসাম হাবীবু বাকি অংশ পড়ুন...












