মন্তব্য কলাম
ভীনদেশী অ্যাপের ফাঁদে পড়ে বিপথে যাচ্ছে দেশের তরুণ প্রজন্ম। বাড়ছে নারীপাচার, দেশে বাড়ছে অশ্লীলতা ও পর্ণোগ্রাফির প্রচার। কিশোর-কিশোরীদের টার্গেট করেই একটি মহল এসব অপসংস্কৃতির প্রচার ও প্রসার ঘটাচ্ছে। এসব অপসংস্কৃতি নির্মূলে দ্বীন ইসলামই একমাত্র সমাধান।
, ১২ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১২:০০:০০ এএম ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) মন্তব্য কলাম
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম আধুনিককালে মানুষের জীবনের একটি অনুসঙ্গ হয়ে উঠছে। তথ্য-প্রযুক্তির উৎকর্ষের এই যুগে অনেকের কাছে এটি খুবই স্বাভাবিক ঘটনা। কিন্তু এই তথ্য প্রযুক্তির অপব্যবহারের কারণে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ধ্বংস করে দিচ্ছে মানুষের জীবন। সোশ্যাল মিডিয়ায় এমন কিছু অ্যাপস রয়েছে যেমন- টিকটক, লাইকি, বিগো ইত্যাদি যাদের কোনো ইতিবাচক দিক নেই। পরিতাপ ও উদ্বেগের বিষয় হল মানুষ এসবের দিকেই বেশি ঝুঁকছে। বিশেষ করে অল্প বয়সী তরুণ তরুণীরা মারাত্মকভাবে এসব অ্যাপ ব্যবহারে আসক্ত হয়ে পড়ছে। এসব অ্যাপ ব্যবহারের ফলে তরুণ প্রজন্ম বিপথগামী হয়ে পড়ছে। নষ্ট হচ্ছে নৈতিকতা, সামাজিক মূল্যবোধ ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ। তরুণ বা কিশোর গ্যাংয়ে জড়িয়ে অপরাধমূলক কার্যক্রমে অংশ নিচ্ছে, হয়ে উঠছে সহিংস।
টিকটক ও লাইকি অ্যাপের মাধ্যমে উৎসাহিত হয়ে অনেক কিশোর-তরুণ উদ্ভট স্টাইলে চুল কেটে ও রঙে রঙ্গিন করে এবং ভিনদেশি অপসংস্কৃতি অনুসরণ করে তা এসকল এ্যাপের মাধ্যমে প্রচার করছে। প্রচার করা এসব কন্টেন্টে অনেক সময় সহিংস ও কুরুচিপূর্ণ কনটেন্ট থাকে। অশালীন পোশাক পরিহিত তরুণীরা নিজেদের ধূমপান ও সিসা গ্রহণ করার দৃশ্য আপলোড করেছে। ফলে এসব অ্যাপের মাধ্যমে ভুল পথে পা বাড়াচ্ছে তরুণ প্রজন্ম।
এখানেই শেষ নয়, জনপ্রিয় বিধায় এসব মাধ্যমে জাল পেতে রেখেছে নারী ও শিশু পাচারকারী চক্র। তাদের জালে আটকে বিদেশে পাচার হচ্ছে বাংলাদেশের অনেক নারী-শিশু। গত কয়েক মাসে একটি চক্রের শুধু টিকটকে পাতা ফাঁদেই পড়েছে সহস্রাধিক নারী ও শিশু। সম্প্রতি ভারতের বেঙ্গুলুরুতে বাংলাদেশী এক তরুণীর নির্যাতনের ঘটনা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার পর মানবপাচারের নতুন চক্রের সন্ধান পাওয়া গেছে। উঠে এসেছে নানা চাঞ্চল্যকর ঘটনা। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম টিকটকের মাধ্যমে বিখ্যাত হওয়া এবং বিদেশে কাজ পাইয়ে দেয়ার ফাঁদে ফেলে মানবপাচারকারি চক্র তরুণীদের পাচার করছে। টিকটকের ফাঁদে ফেলে এবং বিদেশে কাজের প্রলোভন দেখিয়ে এ পর্যন্ত হাজারের উপর তরুণীকে পাচার করা হয়েছে। এসব তরুণীকে প্রথমে ভারতে পরবর্তীতে সেখান থেকে অন্যান্য দেশে পাচার করা হয়। পাচার হওয়ার পর তাদের দিয়ে দেহব্যবসা করানো হয়।
উল্লেখ্য, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম টিকটক মানবপাচারকারিদের একটি নতুন কৌশল। নিত্যনতুন কৌশল অবলম্বন করা তাদের কাছে নতুন কিছু নয়। এর আগে প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চল থেকে বিদেশে লোভনীয় চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে মানবপাচার করেছে, এখনো করছে। ভালো চাকরির আশায় অনেকে তাদের ফাঁদে পা দিয়ে বিদেশ গিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছে। বিদেশের হোটেলে ড্যান্সার হিসেবে তরুণীদের ফাঁদে ফেলার এ খবর নতুন নয়। মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন হোটেলে ড্যান্সার হিসেবে নারী পাচার করার এক বড় চক্রের সন্ধান পায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এর মূল হোতাকেও দেশে গ্রেফতার করা হয়।
দেখা যাচ্ছে, মানবপাচারকারিরা একেক সময় একেক কৌশল অবলম্বন করছে। একশ্রেণীর তরুণীর মধ্যে এ নিয়ে উচ্ছ্বাস ও বেপরোয়া মনোভাব পরিলক্ষিত হয়। তারাই বিপদগামী হয়ে উঠে। টিকটকের মাধ্যমে যারাই পাচারের শিকার হয়েছে তাদের অতি উৎসাহ, অসচেতনতা, অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন এবং উচ্চাভিলাষই এ পরিণতি ডেকে এনেছে। পারিবারিক শাসন-বারণ, নীতি-নৈতিকতা, দ্বীনি মূল্যবোধসম্পন্ন কেউ এ ধরনের গড্ডালিকা প্রবাহে গা ভাসাতে পারে না। শুধু টিকটকই নয়, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রতারক চক্রের খপ্পরে পড়ে অনেক তরুণীর প্রতারিত হওয়ার ঘটনা অহরহই ঘটছে।
আর এক্ষেত্রে বাবা-মায়ের অসচেতনার চেয়ে অজ্ঞানতা বেশি দায়ী। যথেষ্ট জ্ঞান না থাকার কারণে বাবা-মায়েরা দামি মোবাইল, ট্যাবসহ ইন্টারনেট কিশোর কিশোরীদের হাতে তুলে দিচ্ছে। কিন্তু এ ব্যাপারে কোনো নির্দেশ প্রদান করতে পারছে না। এতে করে এসব অ্যাপের অশ্লীলতায় জড়িয়ে ধীরে ধীরে শিথিল হচ্ছে নীতি-নৈতিকতার বাঁধন। উঠে যাচ্ছে চক্ষু লজ্জা বা লজ্জাবোধ। ক্রমে বিস্তৃত হচ্ছে অবাধ মেলামেশার পরিবেশ। বিয়ে বহির্ভূত শারীরিক সম্পর্ক বিষয়ে দ্বীনি, পারিবারিক এবং সামাজিক সংস্কার ধীরে ধীরে ফিকে হয়ে যাচ্ছে। তরুণ-তরুণীদের কথিক ভালোবাসার সম্পর্ক মূলত দৈহিক সম্পর্কে গড়াচ্ছে।
পাশাপাশি, অশ্লীল ও যৌন উসকানিমুলক এসব কনটেন্ট দেখে সমাজের ছোট ছোট কিশোর-কিশোরীদের মনজগত, আচার-আচরণ ও পোশাক-পরিচ্ছদে বিরূপ প্রভাব পড়ছে। ফলে বাড়ছে সামাজিক বিশৃঙ্খলা ও বিচ্যুতি। বিব্রতকর, অনৈতিক ও অশ্লীল ভিডিওগুলো পর্নোগ্রাফিকে উৎসাহিত করায় এরই মধ্যে পাকিস্তান, ইন্দোনেশিয়া এসব ব্যবহার নিষিদ্ধ করেছে।
প্রসঙ্গত, আধুনিক প্রযুক্তি ও যোগাযোগ মাধ্যমকে যেমন অস্বীকার করার উপায় নেই, তেমনি এর কুফলও উপেক্ষা করার সুযোগ নেই। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মানবপাচারকারিদের সক্রিয় হওয়া অস্বাভাবিক নয়। আগেও তাদের যেমন বিভিন্ন কৌশল ছিল, সময়ের সাথে সাথে তা পরিবর্তন করবে, এটাই স্বাভাবিক। এক সিন্ডিকেট ধরা পড়লে নতুন সিন্ডিকেট ফাঁদ পাতবে, এ ধারাবাহিকতা চলতেই থাকবে। এ থেকে মুক্ত থাকতে হলে প্রত্যেককে সচেতন হতে হবে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তরুণদের বিশেষ করে তরুণীদের কার্যক্রমের ক্ষেত্রে সতর্ক ও সচেতন হওয়া বাঞ্চনীয়। এক্ষেত্রে পরিবারের অভিভাবকদের দায়িত্বশীল হতে হবে। সমাজে যেসব অনাকাঙ্খিত ঘটনা ঘটছে তা পারিবারিক, সামাজিক ও দ্বীনি মূল্যবোধের অবক্ষয় থেকে যে ঘটছে, তা মানতে হবে। এসব ঘটনা থেকে শিক্ষা নিয়ে সন্তানদের মূল্যবোধসম্পন্ন করে গড়ে তোলার জন্য অভিভাবকদের কার্যকর ভূমিকা পালন করতে হবে। সন্তানদের পারিবারিক শাসন-বারণ, দ্বীনি মূল্যবোধ ও নীতি-নৈতিকতার মধ্য দিয়ে বড় করে তুলতে হবে। এটা যেমন তাদের রক্ষাকবচ তেমনি পরিবার ও সমাজেরও রক্ষাকবচ।
বিশেষজ্ঞরা বলছে, বাংলাদেশের নীতিনির্ধারকদের ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনতিবিলম্বে এসব অন্তঃসারশূন্য অ্যাপগুলো নিষিদ্ধ করা উচিত। নতুবা সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ ও এসব অ্যাপস ব্যবহারে সুস্পষ্ট নীতিমালা প্রণয়ন এখন সময়ের দাবি। এছাড়া পারিবারিক ও সামাজিকভাবেও সচেতনতা বাড়াতে হবে।
তবে বিশেষভাবে উল্লেখ্য, টিকটক, লাইকিসহ ভীনদেশী এই সাংস্কৃতিক আগ্রাসনের বিরুদ্ধে সকল পদক্ষেপ তখনই বাস্তবায়িত হবে। যখন জোরালোভাবে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম মুসলিম দেশ হিসেবে সরকার দেশের তরুণ প্রজন্মের মধ্যে সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার আদর্শ অনুভূতি, শালীনতার প্রচার প্রসার ঘটাতে পারবে। কারণ কেবলমাত্র সম্মানিত দ্বীন ইসলামেই রয়েছে সকল প্রকার অপসংস্কৃতি, তথ্যপ্রযুক্তির অপব্যবহার, নারীপাচার কিংবা অশ্লীল-অশালীন পথ থেকে বিরত থাকার সর্বোত্তম নির্দেশনা। সাম্প্রতিক ভয়াবহ পরিস্থিতি বিবেচনায় সরকার এসকল ভীনদেশী এ্যাপ দেশে নিষিদ্ধ করে বিদেশি অপসংস্কৃতির আগ্রাসন রুখে দেবে এটাই দেশের জনগণ সরকারের কাছ থেকে আশা করে থাকে।
-আল্লামা মুহম্মদ ওয়ালীউর রহমান আরিফ।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
শতবর্ষ আগের ঐতিহ্যবাহী হেজাজ রেলওয়ে এখনও টিকে আছে জর্ডানে বিশ্বের মুসলমানদের একত্রিত করার উদ্দেশ্যে তৈরি হয়েছিলো ‘দ্য হেজাজ রেলওয়ে’ নামে এই রেলপথ হেজাজ রেলওয়ে পূণর্জ্জীবিত করলে এর মাধ্যমে মুসলিম বিশ্বকে এক সূতায় বাঁধা সম্ভব সম্ভব মুসলিম বিশ্বের নিজস্ব বাণিজ্য, অর্থনীতি, সমরনীতি সমৃদ্ধ করে নতুন সোনালী অধ্যায়ের সূচনা ইনশাআল্লাহ!
১৩ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
শুধু চট্টগ্রাম বন্দর, করিডোর অথবা পার্বত্য চট্টগ্রামকে জুমল্যান্ড নামে আলাদা খ্রিস্টান রাজ্য বানানোর গভীর ষড়যন্ত্রই শেষ নয়- বরং অন্তর্বর্তী সরকারের দুর্বলতা তথা আতাতের কারণে বাংলাদেশে নতুন নতুন ইষ্ট ইন্ডিয়া কোম্পানী বসানোর পাকাপোক্ত ব্যবস্থা করছে সাম্রাজ্যবাদী আমেরিকা।
১২ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
অন্তর্বর্তী সরকারের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে অজ্ঞতা, অদক্ষতা এবং দায়িত্বহীনতার কারণেই এলপিজি সংকট। যা সহসাই কাটছে না। ভোগাবে রমজানেও।
১১ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
হাড়কাঁপানো শীতে যশোরে একদিনে ১০ জনের মৃত্যু প্রচ- শীতে ঠান্ডাজনিত রোগে রংপুরে ১০৩ জনের মৃত্যু! হাসপাতালে ভর্তি ১৪০০ জন! নোয়াখালীতে তীব্র শীত, এক মাসে ১৮ শিশুর মৃত্যু দেশজুড়ে তীব্র শীতে কষ্টে মানুষ, বেড়েছে ঠান্ডাজনিত রোগ। কিন্তু অন্তর্বর্তী সরকার বরাবরের মতোই নির্বিকার।
১০ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
সাগরের বুকে তৈরি হচ্ছে নতুন বাংলাদেশ অনেক বেড়ে যাচ্ছে বাংলাদেশের আয়তন খিলাফত আলা মিনহাজিন নুবুওওয়াহ্র পরিক্রমায় চললে বাংলাদেশ এত বড় হতে পারে যে বর্তমান ৪০ থেকে ৫০ কোটি জনসংখ্যার পরও বাংলাদেশেই বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে কাজের জন্য লোক আসবে ইনশাআল্লাহ!
০৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
দেশের বাজারে এলপিজি সংকট ভয়াবহ। বাজারে পাওয়া যাচ্ছে না ১২ কেজির সিলিন্ডার, দাম ঠেকেছে ২৫০০ টাকা জালেমশাহী হাসিনা সরকারের পেঁয়াজ সিন্ডিকেট, চাল সিন্ডিকেট, তেল সিন্ডিকেট সহ সব সিন্ডিকেট ছাপিয়ে ইউনুস সরকারের নতুন উপহার এলপিজি সিন্ডিকেট।
০৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সবচেয়ে বড় শত্রু ইহুদীদের বন্ধুও বড় শত্রুই বটে! ইহুদীরাই আমেরিকায় প্রেসিডেন্ট বানায়, নামায় তথা আমেরিকা চালায়। ইহুদীদের দুরভিসন্ধি এবং সহযোগীতায় আমেরিকা একের পর এক মুসলিম দেশ দখল করে, যুদ্ধ লাগায়, ঘাটি বানায়, সরকার পরিবর্তন করে, গৃহযুদ্ধ ঘটায়, সব বরবাদ করে দেয়।
০৭ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত খলীফাতুল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি এবং উনার অনবদ্য তাজদীদ ‘আত-তাক্বউইমুশ শামসী’ সম্পর্কে জানা ও পালন করা এবং শুকরিয়া আদায় করা মুসলমানদের জন্য ফরয। মুসলমান আর কতকাল গাফিল ও জাহিল থাকবে?
০৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
"" জনাব প্রধান উপদেষ্টার প্রতি খোলা জনমত"" লাইফ সাপোর্টে গেলে গুলি লাগলে মারা গেলে ঠিকই দোয়া চাইবেন আর বাকি সময় দোয়ার বিপরীত কাজ করবেন বহুরূপী হাসিনার মত আর কত প্রতারণা করবেন? দোয়ার মালিক মহান আল্লাহ পাক এর গযব থেকে বাঁচতে চাইলে আগামীকালই পবিত্র রমজানে স্কুল খোলার আদেশ প্রত্যাহার করুন
০৫ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
সোনার চেয়েও অনেক দামী সোনাদিয়া দ্বীপ। বঙ্গোপসাগরে সোনাদিয়া, কুতুবদিয়া, মহেশখালী, সন্দীপসহ আরো দ্বীপগুলোতে সোনা নয়, হীরার চেয়েও দামী খনিজ আছে। আরো আছে গারনেট, ইলমেনাইট ও রুটাইল সহ আরো দামী এবং দুর্লভ খনিজ।
০৪ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
কৃষিপণ্য রপ্তানির অপূর্ব সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে ব্যর্থ হচ্ছে বাংলাদেশ। অথচ বাংলাদেশের চেয়ে আয়তনে ছোট দেশ নেদারল্যান্ডসের কৃষিপণ্যের রপ্তানি ১০০ বিলিয়ন ডলারের বেশি। দেশে কৃষি বিপণন আইন, ২০১৮-তে রপ্তানিকারকদের লাইসেন্স ও মান নিয়ন্ত্রণের কথা বলা থাকলেও, মাঠ পর্যায়ে ‘ট্রেসিবিলিটি’ বা পণ্যের উৎস শনাক্তকরণের ব্যবস্থা এখনো প্রাচীন পর্যায়ে।
০৩ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
বিভিন্ন দেশে দুর্নীতিগ্রস্ত সরকারের নেয়া ঋণকে ‘অডিয়াস ডেট’ বিবেচনা করে মওকুফ বা ঋণ পুনর্গঠনের উদাহরণ রয়েছে এ মুহূর্তে এমন ঋণ নিয়ে প্রক্রিয়া চালাচ্ছে লেবানন, গ্রিস, জাম্বিয়া, শ্রীলংকাসহ বেশ কয়েকটি দেশ কিন্তু দুর্নীতির মা- শেখ হাসিনার আমলে দুর্নীতিগ্রস্থ বিদেশী ঋণ নিয়ে প্রথমে অভিযোগ করলেও এখন নীরব সম্মতিতে, নিস্ক্রিয় হয়ে শেখ হাসিনার পক্ষেই হাটছে অন্তর্বর্তী সরকার
০২ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার)












