কাফির, মুশরিক, হিন্দু, বৌদ্ধ, মুজূসী, ইহুদী, নাছারা এদের উপাসনালয়ে যাওয়া লা’নতের কারণ
১ম দলীল
এই সমস্ত কুফরী ও লা’নত থেকে বাঁচার জন্য সাইয়্যিদুনা হযরত ফারুকে আযম আলাইহিস সালাম তিনি যা বলেছেন তা কিতাবে বর্ণিত রয়েছেন,
قَالَ سَيِّدُنَا حَضْرَتْ اَلْفَارُوْقُ الْاَعْظَمُ عَلَيْهِ السَّلَامُ لَا تَدْخُلُوْا عَلَى الْمُشْرِكِـيْـنَ فِـىْ كَـنَائِسِهِمْ يَـوْمَ عِيْدِهِمْ فَاِنَّ السَّخْطَةَ تَـنْزِلُ عَلَيْهِمْ
“সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, তোমরা মুশরিকদের উৎসবের দিনে তাদের উপাসনালয়ে, মন্দিরে প্রবেশ করো না। কেননা, নিশ্চয়ই তাদের উপর (এই দিনসমূহে মহান আল্লাহ বাকি অংশ পড়ুন...
৯৭ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র মুসাফিরী শান মুবারক نُوْرُ الرَّاكِبِ مُبَارَكٌ নূরুর রকিব মুবারক
৯৮ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র মুক্বীমী শান মুবারক نُوْرُ النَّعِيْمِ مُبَارَكٌ নূরুন না‘ঈম মুবারক
৯৯ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র তা’লীম মুবারক نُوْرُ الْوَحْىِ مُبَارَكٌ নূরুল ওয়াহ্ই মুবারক
বাকি অংশ পড়ুন...
اَلْمُقَدِّمَةُ (আল মুক্বদ্দিমাহ্)
মূলত, মহান আল্লাহ পাক উনার এবং উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব মাহবূব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার অর্থাৎ উনাদের হাক্বীক্বী নিসবত ও কুরবত মুবারক উনাদের অভাবে ইতিপূর্বে কেউ সম্মানিত ফরয কুরবানী মুবারক উনার বিষয়টি উপলব্ধি করতে পারেনি। তবে, রহমাতুল্লিল আলামীন মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি যেই ফতওয়া মুবারক দিয়েছেন, এটাই চূড়ান্ত ফতওয়া মুবারক। কেননা, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, আহলু বাই বাকি অংশ পড়ুন...
পূর্ববর্তী শরীয়তেও আক্বীক্বার হুকুম ছিল
৩য় দলীল
ছহীহ সনদে আরো বর্ণিত রয়েছেন,
عَنْ حَضْرَتْ بُـرَيْدَةَ رَضِىَ اللهُ تَـعَالـٰى عَنْهُ قَالَ كُـنَّا فِـى الْـجَاهِلِيَّةِ اِذَا وُلِدَ لِاَحَدِنَا غُلَامٌ ذَبَحَ شَاةٌ وَلَطَّخَ رَأْسَهٗ بِدَمِهٖ فَـلَمَّا جَاءَ الْاِسْلَامُ كُـنَّا نَذْبَحُ الشَّاةَ يَـوْمَ السَّابِعِ وَنَـحْلِقُ رَأْسَهٗ وَنُـلَطِّخُهٗ بِزَعْفَرَانٍ
“হযরত বুরায়দাহ্ রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, জাহিলীযুগে আমাদের কারো সন্তান জন্ম গ্রহণ করলে, সে একটি ছাগল বা বকরি যবেহ করতো এবং তার রক্ত শিশুর মাথায় মাখিয়ে দিতো। অতঃপর যখন মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র দ্বীন ইসলাম আগমন ক বাকি অংশ পড়ুন...
খ্বালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি মহাপবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেছেন-
فَاِنْ اٰمَنُوْا بِـمِثْلِ مَا اٰمَنْتُمْ بِهِ فَقَدِ اهْتَدَوْا.
অর্থাৎ হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা যেরূপ সম্মানিত ঈমান মুবারক এনেছেন তদ্রƒপ যদি তোমরা সম্মানিত ঈমান মুবারক গ্রহণ করতে পারো তাহলে তোমরা হিদায়েত মুবারক লাভ করতে পারবে। (পবিত্র সূরা বাক্বারাহ শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ১৩৭)
এ লিখনীতে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহ বাকি অংশ পড়ুন...
قُلْ إِن كَانَ آبَاؤُكُمْ وَأَبْنَآؤُكُمْ وَإِخْوَانُكُمْ وَأَزْوَاجُكُمْ وَعَشِيرَتُكُمْ وَأَمْوَالٌ اقْتَرَفْتُمُوهَا وَتِجَارَةٌ تَخْشَوْنَ كَسَادَهَا وَمَسَاكِنُ تَرْضَوْنَهَا أَحَبَّ إِلَيْكُم مِّنَ اللّهِ وَرَسُولِهِ وَجِهَادٍ فِي سَبِيلِهِ فَتَرَبَّصُوا حَتَّى يَأْتِيَ اللّهُ بِأَمْرِهِ وَاللّهُ لاَ يَهْدِي الْقَوْمَ الْفَاسِقِينَ [التوبة: ২৪].
অর্থ : (আয় মহাসম্মানিত হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!) আপনি বলুন, তোমাদের নিকট যদি মহান আল্লাহ পাক উনার এবং উনার মহাসম্মানিত রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের পথে জিহাদ করার চেয়ে বেশি প্রিয় হয় তোমাদের পিতৃবর্গ, তোমাদের সন্তানরা, তোমাদের ভ্রাতাগণ, তোমাদের আহলি বাকি অংশ পড়ুন...
(২০) মহান মুর্শিদ ক্বিবলা তিনি যা আদেশ করবেন তা নির্দ্বিধায় পালন করবে। আর যে বিষয়ে নিষেধ করবেন নিসংকোচে তা থেকে বিরত থাকবে। যদিও মুরীদের কাছে তা শরীয়তের খেলাফ মনে হতে পারে; কিন্তু হাক্বীক্বতে তা খেলাফ নয় বরং তা মুরীদের জন্য ভালাই ও কামিয়াবীর কারণ। যা পালনের মাধ্যমে মুরীদের কাঙ্খিত সফলতা অর্জিত হবে।
মূলত: বিনা চূ-চেরায় দ্বিধাহীনচিত্তে শায়েখ বা মুর্শিদ ক্বিবলা উনার আদেশ মুবারক পালন করার জন্য যেমন ইলিমের প্রয়োজন, তেমনি প্রয়োজন অন্তরের বিশুদ্ধতাও।
মহান আল্লাহ পাক উনাকে যেমন উনার বান্দাগণের মধ্যে আলিমগণই বেশী ভয় করেন, হাক্বী বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
فَاصْبِرْ صَبْرًا جَمِيلًا
অর্থ: “আপনি উত্তমভাবে ধৈর্যধারণ করুন। ” (পবিত্র সূরা মায়ারিজ শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ০৫)
পবিত্র হাদীছ শরীফে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “ছবর বা ধৈর্য্য হচ্ছে ঈমানের অর্ধেক। ”
মূলত যে সমস্ত গুণাবলী নুবুওওয়াত মুবারকের অবিচ্ছেদ্য অংশ তার মধ্যে অন্যতম হলো ধৈর্য, ক্ষমা এবং সহনশীলতা। এ সমস্ত সুমহান বৈশিষ্ট্য এবং গুণাবলী মুবারকের অধিকারী ছিলেন হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনারা।
নেকী অর্জন তথা হিদায়েতের কাজে বাধা বিপত্তি, দুঃখ-যন্ত্রনা, জুলুম-নির্যাতন আসার পর তা বরদাশত কর বাকি অংশ পড়ুন...
দুম্বা কুরবানী : দুম্বা কুরবানীর ব্যাপারে পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ اَنَسَ بْنَ مَالِكٍ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ قَالَ كَانَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يُضَحِّيْ بِكَبْشَيْنِ وَاَنَا اُضَحِّيْ بِكَبْشَيْنِ.
অর্থ : “হযরত আনাস ইবনে মালিক রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্র্ণিত। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি দু’টি দুম্বা কুরবানী করতেন। হযরত আনাস ইবনে মালিক রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনিও কুরবানী আদায় করতেন দু’টি দুম্বা দিয়ে। ” (বুখারী শরীফ : পবিত্র হাদীছ শরীফ নং ৫৫৫৩)
মেষ কুর বাকি অংশ পড়ুন...
প্রতিবছরের মতো এ বছরও প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় দেশে কুরবানীযোগ্য গবাদি পশুর সংখ্যা নিরূপণ করেছে। এ বছর কুরবানীযোগ্য সর্বমোট ১ কোটি ২৪ লাখ ৪৭ হাজার ৩৩৭টি গবাদি পশুর প্রাপ্যতা আশা করা যাচ্ছে। এবার হৃষ্টপুষ্টকৃত গবাদি পশুর মধ্যে ৫৬ লাখ ২ হাজার ৯০৫টি গরু-মহিষ, ৬৮ লাখ ৩৮ হাজার ৯২০টি ছাগল-ভেড়া এবং ৫ হাজার ৫১২টি অন্যান্য প্রজাতি রয়েছে। অন্যান্য বছরের মতো এবারও ২০ লাখ ৬৮ হাজার ১৩৫টি গবাদি পশু উদ্বৃত্ত থাকবে বলে আশা করছে মন্ত্রণালয়। তবে অভিজ্ঞমহল মনে করছেন প্রকৃত সংখ্যা সরকারী হিসেবের চেয়ে অনেক বেশী।
বাকি অংশ পড়ুন...
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী, দেশে বর্তমানে আমানতকারী অ্যাকাউন্টের সংখ্যা ১৫ কোটি ৭১ লাখ ২০ হাজার ২২৭টি।
দেশের বেশ কিছু ব্যাংক আমানত ও ঋণের ভারসাম্য ধরে রাখতে পারছে না। গ্রাহকের নিরাপত্তা সীমা ভ বাকি অংশ পড়ুন...
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
কূটনীতির প্রেক্ষাপটে, ‘এন-সার্কেল’ বলতে এমন একটি ধারণাগত কাঠামোকে বোঝায় যেখানে দেশ বা রাজনৈতিক অভিনেতাদের একটি নির্দিষ্ট জাতির স্বার্থের ঘনিষ্ঠতা এবং গুরুত্বের স্তরের উপর ভিত্তি করে সমকেন্দ্রিক বৃত্তে বিভক্ত বাকি অংশ পড়ুন...












