চতুর্থ সনদ:
চতুর্থ সনদ ও হাদীছটা হযরত ইমাম আবু নু‘আইম রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি উনার ‘তিব্বুন নববী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম’ নামক বিখ্যাত কিতাব এর ১ম খ-ের ৩৮৩ নং পৃষ্ঠায় তিনি লিখেন,
حَدَّثَنا حضرت امام محمد بن جرير رَحْمَةُ اللهِ عَلَيْهِ، حَدَّثَنا حضرت امام أحمد بن الحسن الترمذي رَحْمَةُ اللهِ عَلَيْهِ، عَن موسى بن محمد، حَدَّثَنا دفاع بن دغفل السدوسي، عَن عَبد الحميد بن صيفي بن صهيب، عَن أبيه، عَن جَدِّه صهيب الخير، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم عليكم بألبان البقر فإنها شفاء وسمنها دواء ولحومها داء
অর্থ: “হযরত ইমাম মুহম্মদ ইবনে জারীর রহমতুল্লাহি আলাইহি আমাদের বলেন, আহমদ ইবনুল হাসান আত তিরমিজী রহমতুল্লাহি আলাই বাকি অংশ পড়ুন...
হযরত গাউছুল আ’যম শায়েখ সাইয়্যিদ মুহীউদ্দিন আবদুল কাদির জিলানী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি প্রথমে বললেন, দেখ চিকিৎসা করে কি হবে, যিনি সমস্ত চিকিৎসকের চিকিৎসক, সমস্ত হাকীমগণের হাকীম সেই মহান আল্লাহ পাক রব্বুল আলামীন তিনি আমাকে অসুখ মুবারক দিয়েছেন। কাজেই আমার এই অসুখ মুবারক সারা দুরূহ ব্যাপার। আমার হায়াত শেষ হয়ে গিয়েছে, আমি থাকতে পারব না এখানে।
তথাপিও মুরীদদের আশা উনারা বললেন, হুযূর! আপনি যদি অনুমতি দেন তাহলে আমরা চিকিৎসা করি। তিনি চিন্তা করলেন, সত্যিই চিকিৎসা করাতো সুন্নত মুবারক, অসুবিধা নেই ঠিক আছে নিয়ে যাও আমার ইস্তিঞ্জা মুবা বাকি অংশ পড়ুন...
হযরত যুন নুন মিছরী রহমতুল্লাহি আলাইহি যিনি বড় বুজুর্গ মহান আল্লাহ পাক উনার ওলী। তিনি একদিন গিয়েছেন পবিত্র কা’বা শরীফ-এ হজ্জ করতে। হজ্জ শেষে তিনি বসে রয়েছেন পবিত্র কা’বা শরীফ উনার সীমানার মধ্যে পবিত্র কা’বা শরীফ উনার পাশে। হঠাৎ দেখলেন, একটা মেয়েলোক একটা বাচ্চাসহ সেখানে এসেছে। সে এসে বলছে, “মহান আল্লাহ পাক! সেই গোপন ওয়াদা। ” বার বার সেই মেয়েলোকটা একই কথা বলছে। যখন সে এই কথা বার বার বলছে, হযরত যুন নুন মিছরী রহমতুল্লাহি আলাইহি, যেখানে বসা ছিলেন সেখান থেকে উঠে গিয়ে সেই মহিলার নিকটে গিয়ে বললেন, হে মহিলা কিসের গোপন ওয়াদা? কোন গোপন ওয়া বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
لَمَّا قَدِمْنَا الْمَدِينَةَ فَجَعَلْنَا نَتَبَادَرُ مِنْ رَوَاحِلِنَا فَنُقَبِّلُ يَدَ النَّبِيِّ صَلَّـى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَرِجْلَه
অর্থ: আমরা যখন মদীনা শরীফ উনার মধ্যে আগমন করতাম, তখন তাড়াতাড়ি করে নিজেদের সওয়ারী থেকে নেমে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নূরুল মাগফিরাত মুবারকে (পবিত্র হাত মুবারকে) এবং নূরুদ দারাজাত মুবারকে (পবিত্র ক্বদম মুবারকে) বুছা দিতাম। সুবহানাল্লাহ! (আবূ দাউদ শরীফ, মু’জামুছ ছাহাবাহ্, আস সুনানুল কুবরা লিল বাইহাক্বী, শরহুস সুন্নাহ্, শু‘আবুল ঈমান বাকি অংশ পড়ুন...
কথিত খলীফা হারুনুর রশীদ মোটামুটি তার ইলম কালাম ছিলো, কিছু আমলও তার ছিলো। আর তার স্ত্রী জোবায়দা বেগম, সেও নেককার মহিলা ছিলো। একদিন খলীফা হারুনুর রশীদের সাথে তার স্ত্রীর কিছু কথা কাটাকাটি হয়। স্ত্রী সবসময় চাইতো হারুনুর রশীদ যেন সৎমত সৎপথে চলে, কিন্তু হারুনুর রশীদের একজন সভাসদ ছিলো। সে তাকে ওয়াসওয়াসা দিতো।
একবার কথিত খলীফা হারুনুর রশীদ কোন একটা কাজের কথা বললো। বলার পরে তার স্ত্রী জোবায়দা বেগম বললো যে- আপনি যদি এই কাজ করেন, তাহলে আপনি জাহান্নামী হবেন। এই আমল যদি আপনি করেন, এটা জাহান্নামীর লক্ষণ আপনি জাহান্নামী হবেন। যখন স্ত্রী বাকি অংশ পড়ুন...
প্রখ্যাত মুফাস্সির আল্লামা ইবনে কাছীর রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি উনার “তাফসীরে ইবনে কাছীরের” ৮ম খ-, ৩-৪ পৃষ্ঠায় উল্লেখ করেন-
قَالَ اِبْنُ مَسْعُوْدٍ فِى قَوْلِهٖ تَعَالٰى وَمِنَ النَّاسِ مَنْ يَشْتَرِي لَهْوَ الْحَدِيثِ....... قَالَ هُوَ وَاللهِ اَلْغِنَاءُ ....... وَكَذَا قَالَ اِبْنُ عَبَّاسٍ وَجَابِرٍ وَعِكْرَمَةَ وَسَعِيْدِ بْنِ جُبَيْرٍ وَمُجَاهِدٍ وَمَكْحُوْلٍ وَعَمْرِو بْنِ شُعَيْبٍ وَعَلِىِّ بْنِ بُذَيْمَةَ وَقَالَ حَسَنُ الْبَصْرِىِّ نَزَلَتْ هٰذِهِ الْاٰيَةُ فِى الْغِنَاءِ وَالْمَزَامِيْرِ.
অর্থ: বিশিষ্ট ছাহাবী হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি لَهْوَ الْحَدِيثِ -এর ব্যখ্যায় বলেন, “মহান আল্লাহ পাক উনার কসম! لَهْ বাকি অংশ পড়ুন...
ইমামুল আউওয়াল মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ইমামুল মুত্তাক্বীন, আসদুল্লাহিল গালিব, খলীফাতুর রবি’, আমীরুল মু’মিনীন, খলীফাতুল মুসলিমীন, সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম তিনি প্রায়ই বলতেন, মহান আল্লাহ পাক রব্বুল আলামীন উনার একটি আদেশ মুবারক শুধু আমিই পালন করেছি। আমার পূর্বে এবং পরে অন্য কারো পালন করার সৌভাগ্য হয়নি। (তাফসীরে ইবনে কাসীর)
মহান আল্লাহ পাক তিনি যখন হুকুম দিলেন-
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا إِذَا نَاجَيْتُمُ الرَّسُولَ فَقَدِّمُوا بَيْنَ يَدَيْ نَجْوَاكُمْ صَدَقَةً ۚ ذَٰلِكَ خَيْرٌ لَكُمْ وَأَطْهَرُ ۚ فَ বাকি অংশ পড়ুন...
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্পর্কে, উনার সম্মানিত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম অর্থাৎ উনার সম্মানিত আব্বা-আম্মা আলাইহিমাস সালাম উনাদের সম্পর্কে, উনার সম্মানিতা আওয়াজে মুত্বহহারাত হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের সম্পর্কে এবং উনার সম্মানিত আওলাদ হযরত আবনা আলাইহিমুস সালাম ও হযরত বানাত আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের সুমহান শান বা মর্যাদার খিলাফ আচরণ যারা প্রকাশ করবে, উনাদের সম্পর্কে কটুক্তি করবে, সমালোচনা করবে, ব্যঙ্গচিত্র প্রকাশ করবে, অবমাননাকর বা অসম্মানসূ বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফে বর্ণিত রয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ اِبْنِ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ يَقُولُ سَمِعْتُ أَبَا طَلْحَةَ رَضِيَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ يَقُولُ سَمِعْتُ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُوْلُ لاَ تَدْخُلُ الْمَلاَئِكَةُ بَيْتًا فِيْهِ كَلْبٌ وَّلاَ صُوْرَةُ تَمَاثِيْلَ.
অর্থ: হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বলেন, আমি হযরত আবূ ত্বলহা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে শুনেছি। তিনি বলেন, আমি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার থেকে শুনেছি। তিনি ইরশাদ মুবারক করেছেন, ওই সমস্ত ঘরে রহমতের ফেরেশতা প্রবেশ করেন বাকি অংশ পড়ুন...
উনার সম্পর্কে যে ঘটনা উল্লেখ করা হয় সেটা হলো- তিনি একবার সফর করতে এক কাফেলার সাথে গেলেন। সফর করতে করতে রাত্রি হওয়ার কারণে এক গোত্র প্রধানের বাড়ীতে উঠলেন। রাত্রে উনাদের থাকার বন্দোবস্ত করা হলো। উনারা থাকতে লাগলেন। সেই গোত্র প্রধানের এক মেয়ে ছিল। সে হযরত ইউসুফ ইবনে হুসাইন রায়ী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার নিকট তার অশুভ বাসনা পেশ করল। যখন সেই গোত্র প্রধানের মেয়ে এই অশুভ বাসনা পেশ করল তখন হযরত ইউসুফ ইবনে হুসাইন রায়ী রহমতুল্লাহি আলাইহি সেই রাত্রেই সেখান থেকে উঠে পালিয়ে চলে আসলেন।
সেই আরব ভূমির মধ্যে উনার পথ চেনা ছিলো না। তিনি এক মর বাকি অংশ পড়ুন...
অন্তর থাকা সত্বেও বুঝবে না।
চোখ থাকা সত্বেও দেখবে না।
কান থাকা সত্বেও শুনবে না।
বাকি অংশ পড়ুন...












