বাগেরহাটের মোল্লাহাটে নওমুসলিম সোহাগের নিথর দেহটি আজ আমাদের সমাজের বুক চিরে কিছু রূঢ় প্রশ্ন ছুঁড়ে দিচ্ছে। বিশ বছর আগে যে মানুষটি সত্যের আলো চিনে ইসলাম গ্রহণ করেছিলেন, দুই দশক পর সেই ‘অপরাধের’ প্রতিশোধ নিতে মায়ের মমতাকেও ঢাল হিসেবে ব্যবহার করা হলো-এ লজ্জা আমরা রাখব কোথায়?
তথ্যচিত্রে দেখা গিয়েছে, অসুস্থ মায়ের দোহাই দিয়ে সন্তানকে ডেকে নেওয়া হয়েছিল। অথচ সেই মা আজ নির্বিকার, তার চোখে অশ্রু নেই। যে সন্তান সুস্থ অবস্থায় মায়ের মুখ দেখতে গেল, কয়েক ঘণ্টা পর তার নিথর দেহে মিলল অসংখ্য আঘাতের চিহ্ন। কেন এই নির্মমতা? কেন তড়িঘড়ি করে প্রশাস বাকি অংশ পড়ুন...
বেদনাবাস্তব এক বিদীর্ণ আয়নায় তাকালে দেখা যায়, যখন রাজধানীর আকাশচুম্বী অট্টালিকাগুলো আলোর রোশনাইয়ে উৎসব করে, ঠিক তখনই তার পাদদেশে কংক্রিটের হিমশীতল অরণ্যে ক্ষুধার জ্বালায় কুঁকড়ে থাকে আগামীর ভবিষ্যৎ- আমাদের পথশিশুরা।
স্বাধীনতার সাড়ে পাঁচ দশক পেরিয়ে গেলেও কেন এই স্বাধীন জমিনে লাখো মানুষকে খোলা আকাশের নিচে পশুর মতো জীবন যাপন করতে হবে? যে দেশে উন্নয়নের জোয়ারে বিলিয়ন ডলারের প্রকল্প বাস্তবায়িত হয়, সে দেশে কেন এক টুকরো ছাদ আর দু’মুঠো ভাতের অভাবে শিশুদের শৈশব নর্দমার ড্রেনে বা রেললাইনের ধারে ধুঁকে ধুঁকে মরবে?
তাত্ত্বিক ও রূহানী বাকি অংশ পড়ুন...
সম্মানিত হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “দুই প্রকার লোক যদি পরিশুদ্ধ হয়ে যায়, তবে সাধারণ লোকজনও পরিশুদ্ধ হয়ে যায়। আর তারা যদি অশুদ্ধ হয়, তবে সাধারণ জনগণও অশুদ্ধ হয় তা তাদের আমল-আখলাকও নষ্ট হয়ে যায়। আর তারা হলো, আলিম-উলামা এবং আমীর-উমরা।
এই সম্মানিত হাদীছ শরীফ থেকে আমরা সহজেই বুঝতে পারি যে, যারা রাজা, বাদশাহ, আমীর-উমরা এবং যারা আলিম রয়েছেন তারা যদি সম্মানিত কুরআন শরীফ ও সম্মানিত হাদীছ শরীফ অনুযায়ী আমল করেন, তাহলে সাধারণ জনগণের আমলও শুদ্ধ হয়ে যায়। আর তারা যদি সম্মানিত শরীয়ত উনার খিলাফ আমল করে, তবে জনগণের আমল আখলাকও শরীয়তের বাকি অংশ পড়ুন...
সম্প্রতি ঢাকার একটি মসজিদে নামাযের জন্য যাওয়া হলো। মসজিদে প্রবেশ করতেই আমি অত্যন্ত বিস্মিত হয়ে থমকে দাঁড়ালাম। কিন্তু মসজিদে আসা যাওয়া করা বহু মানুষের কারো মধ্যেই সামান্যতম অস্বাভাবিকতা দেখলাম না। এমনকি মসজিদে দাঁড়ি টুপি এবং লম্বা জামা পরিধান করা লোকদেরও নির্বিঘেœ ও নিশ্চিন্ত মনে আসা-যাওয়া দেখলাম।
হ্যাঁ পাঠক! সবার স্বাভাবিক চলাচলের মাঝেও আমার থমকে যাওয়ার কারণ ছিলো- মসজিদের প্রবেশমুখেই বসানো সিসি ক্যামেরা। কিছুুদিন আগে সংবাদ মাধ্যমের খবরে জানতে পেরেছিলাম- প্রশাসন কথিত সন্ত্রাসবাদ ঠেকানোর অজুহাতে মসজিদে মসজিদে সিসি ক্ বাকি অংশ পড়ুন...
আর কয়েকদিন পর দ্বীন ইসলামের অনত্যতম এক গুরুত্ববহ দিবস পবিত্র শবে মেরাজ। বাংলাদেশে অনেক উপলক্ষে বাধ্যতামূলক ছুটি থাকলেও শবে মিরাজ উপলক্ষে ছুটি বাধ্যতামূলক নয়, বরং ঐচ্ছিক। সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলমানদের দেশ বাংলাদেশে এটা সত্যিই একটি আশ্চর্যজনক বিষয়।
উল্লেখ্য বাংলাদেশে নির্বাহী আদেশে সরকারি ছুটি দেয়া হয় শবে বরাত, শবে ক্বদর, আশুরা শরীফে। কিন্তু দিবস গুরুত্বের বিবেচনায় শবে মেরাজের গুরুত্ব শবে বরাত, শবে ক্বদর ও আশুরা শরীফ থেকে অনেক অনেক উপরে। শবে বরাতে দুয়া কবুল হয়, মানুষের ১ বছরের ভাগ্য গঠিত হয়। শবে ক্বদরে পবিত্র কুরআন শরীফ নাজিল হ বাকি অংশ পড়ুন...
সরল সঠিক পথ বা ছিরাতুল মুস্তাক্বীম সম্পর্কে স্বয়ং মহান আল্লাহ পাক তিনি সু-স্পষ্টভাবে ইরশাদ মুবারক করে জানিয়ে দিয়েছেন-
يٰسٓ. وَالْقُرْاٰنِ الْحَكِيْمِ. اِنَّكَ لَمِنَ الْمُرْسَلِيْنَ. عَلٰى صِرَاطٍ مُّسْتَقِيْمٍ
অর্থ: “হুরুফে মুক্বত্ব‘আত, যা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার লক্বব মুবারক। হিকমতপূর্ণ কুরআন শরীফ উনার ক্বসম! নিশ্চয়ই আপনি মহাসম্মানিত রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। আপনি যে পথে আছেন সেই পথই হচ্ছেন ছিরাতুল মুস্তাক্বীম বা সরল সঠিক পথ।” সুবহানাল্লাহ! (পবিত্র সূরা ইয়াসীন শরীফ: ১-৪)
উক্ত পবিত্র আয়া বাকি অংশ পড়ুন...
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছেন,
عَنْ حضرت أَبِي هُرَيْرَةَ رضى الله تعالى عنه قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَا خَلَا يَهُودِيٌّ قَطُّ بِمُسْلِمٍ إِلَّا هَمَّ بِقَتْلِهِ
অর্থ: হযরত আবূ হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, যখনই কোনো ইহুদী কোনো মুসলমানকে একাকী পায়, তখনই সে উনাকে শহীদ করতে চায়। নাঊযুবিল্লাহ! (দায়লামী শরীফ, ইবনে কাছীর, আল ফাতহুল কাবীর ইত্যাদি)
ইহুদীরা সরাসরি মহান আল্লাহ পাক উনা বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে- “হযরত আবূ হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি আমার হাত ধরে বললেন, মহান আল্লাহ পাক তিনি ইয়াওমুস সাবত পৃথিবী সৃষ্টি করেছেন, ইয়াওমুল আহাদ পর্বত সৃষ্টি করেছেন, ইয়াওমুল ইছনাইন গাছ সৃষ্টি করেছেন, ইয়াওমুছ ছুলাছা শরীয়ত কর্তৃক নিষিদ্ধ বিষয়গুলো সৃষ্টি করেছেন, ইয়াওমুল আরবিয়া আলো সৃষ্টি করেছেন, ইয়াওমুল খ¦মীস সব ধরনের প্রাণী সৃষ্টি করেছেন, ইয়াওমুল জুমু‘আ আছরের পর হযরত আদম আলাইহিস সালাম উনাকে স বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র রমাদ্বান মাস হচ্ছেন- শাহরুল্লাহ শরীফ অর্থাৎ মহান আল্লাহ পাক উনার মাস। এই মহান মাস উনাকে সম্মান করা, তা’যীম-তাকরীম করা সমস্ত মুসলমান, জিন-ইনসান সকলের জন্য ফরয।
এই মাস উনাকে কেন্দ্র করে মুসলিম উম্মাহ’র মাঝে অন্যরকম একটা আমেজ তৈরী হয়। প্রত্যেকটি ঘরে ঘরে যেন ইবাদত বন্দেগীর উৎসব শুরু হয়। বিশ্বের বিভিন্ন মুসলিম দেশে এই সম্মানিত মাহিনা উনাকে কেন্দ্র করে নিত্য-প্রয়োজনীয় পন্য সামগ্রী থেকে শুরু করে সব কিছুতে ব্যাপক ছাড় দেয়া হয়।
অথচ, এক্ষেত্রে আমাদের দেশের চিত্র পুরোপুরি উল্টা। রমাদ্বান মাস আসার কয়েকমাস আগ থেকে (অর্থাৎ এখন থেক বাকি অংশ পড়ুন...
সম্প্রতি বাংলাদেশে নির্বাচনের প্রস্তুতি চলছে জোরেশোরে। কিছু কথিত ইসলামীক দল এবং লেবাসধারী ওলামায়ে সু'গং সেই প্রস্তুতিতে নিজেদের সর্বস্ব বিলীয়ে দিচ্ছে। কাফিরদের প্রবর্তিত কুফরী গণতন্ত্রের জন্য দিন-রাত এককরে রাজনীতির ময়দানে ব্যাপক জান-মাল, সময়, শ্রম ব্যয় করছে।
মসজিদের মিম্বর, মাহফিলের মঞ্চ থেকে শুরু করে প্রতিটি রাজপথে তারা গণতন্ত্রের প্রচারণায় চরম ব্যাস্ত। এ সমস্ত উলামায়ে সু'দের খায়েশ হচ্ছে, তারা সংসদে গিয়ে নাকি ‘ইসলামী হুকমত’ কায়িম করবে। আর এই খায়েশ পূরণের জন্য তারা ভোট চাইতে বির্ধমীদের দারে দারে ধর্ণা দিচ্ছে। হিন্দু বাকি অংশ পড়ুন...
রাজধানী ঢাকা আজ বিশ্বের অন্যতম ঘনবসতিপূর্ণ শহর। কোটি কোটি মানুষের এই নগরী প্রতিদিন হাঁপিয়ে উঠছে নিজের বোঝা বইতে গিয়ে। যানজট, দূষণ, অপরিকল্পিত নগরায়ন আর অব্যবস্থাপনার এক জটিল জালে আটকে আছে এই শহর। কিন্তু প্রশ্ন হলো, কেন ঢাকা এমন পরিণতির মুখোমুখি? এর সহজ উত্তর হলো, অতিরিক্ত কেন্দ্রীকরণ।
কেন্দ্রীকরণের কুফল:
ঢাকায় কেন্দ্রীভূত রয়েছে দেশের প্রায় সকল গুরুত্বপূর্ণ সরকারি দপ্তর, উচ্চ আদালত, কেন্দ্রীয় ব্যাংক, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড এবং দেশসেরা সরকারি হাসপাতালগুলো। এই কেন্দ্রীকরণ শুধু প্রশাসনিক সুবিধার মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই, বরং এটি তৈ বাকি অংশ পড়ুন...
ইদানীং মিডিয়াগুলো খ্রিস্টানদের বিশেষ দিন ২৫ ডিসেম্বর-এর ক্রিসমাস দিবসকে ‘বড়দিন’ নামে প্রচার করে যাচ্ছে। মিডিয়ার কারণে অনেকেই এখন ইচ্ছায় অনিচ্ছায় খ্রিস্টানদের এ দিনকে ‘বড়দিন’ হিসেবে বলেও থাকে। নাউযুবিল্লাহ! অথচ খ্রিস্টানদের কাছেই এ দিনটি ‘ক্রিসমাস ডে’ হিসেবে পরিচিত। এবং তারা এ নামেই তাদের এ অনুষ্ঠান পালন করে থাকে। কিন্তু এক শ্রেণীর দালাল ও ফিতনা সৃষ্টিকারী মিডিয়া ও সংস্থাগুলো মুসলমানদের দেশে বিশেষ করে বাংলাদেশে ‘ক্রিসমাস ডে’ নামক অনুষ্ঠানটিকে ‘বড়দিন’ নাম প্রচার করছে।
খ্রিস্টানরা তাদের নবী ও রসূল সাইয়্যিদুনা হযরত বাকি অংশ পড়ুন...












