অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন...
 

যামানার লক্ষ্যস্থল ওলীআল্লাহ, যামানার ইমাম ও মুজতাহিদ, ইমামুল আ’ইম্মাহ, মুহইস সুন্নাহ, ক্বাইয়্যুমুয্ যামান, কুতুবুল আলম, হুজ্জাতুল ইসলাম, সুলত্বানুল আউলিয়া ওয়াল মাশায়িখ, ছাহিবু সুলত্বানিন নাছীর,
মাহিউল বিদয়াহ, রসূলে নুমা, গাউছুল আ’যম, সাইয়্যিদুল আউলিয়া, ইমামুল উমাম, সাইয়্যিদুল খুলাফা, আস সাফফাহ, হাবীবুল্লাহ্, আওলাদে রসূল, রাজারবাগ শরীফ-এর মুর্শিদ ক্বিবলাহ
The Daily Al Ihsan
বিশ্বের সমস্ত দেশ থেকে পঠিত আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাত এর
আক্বীদায় প্রতিষ্ঠিত একমাত্র আন্তর্জাতিক ইসলামী পত্রিকা
Arabic .  বাংলা .  Urdu .  English .  Japanese .  Swedish
২৬ মাহে ছফর, ১৪৩৬ হিজরী, ২১ সাবি’, ১৩৮২ শামসি
২০ ডিসেম্বর, ২০১৪ ঈসায়ী সন, ৬ পৌষ, ১৪২১ ফসলী সন
ইয়াওমুস্‌ সাবতি (শনিবার)
al-ihsan al-ihsan al-ihsan
al-ihsan
মুজাদ্দিদে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার দোয়ার বরকতে মুসলমানদেরকে জুলুম নির্যাতন করার ফলে জুলুমবাজ কাফিরদের উপর খোদায়ী গজব
  • <font class='SlideCaptionBN'>জাপানে শক্তিশালী তুষারঝড়ের আঘাতে বহু লোক হতাহত হয়েছে। </font>
  • <font class='SlideCaptionBN'>এ প্রবল তুষারপাতে ঢেকে গেছে বাড়িঘর ও রাস্তাঘাট। </font>
  • <font class='SlideCaptionBN'>এ সময় বহু যাত্রীবাহী গাড়ি বরফের নিচে আটকা পড়ে।</font>
Al Baiyinaat : e Version Al Ihsan : e Version
সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ উপলক্ষে প্রকাশিত
পোষ্টার, স্ক্রিনসেভার, ওয়ালপেপার সমুহ ডাউনলোড করুন।
বিশ্বের সমস্ত দেশ ও শহর থেকে পঠিত
ইসলামী শরীয়ত সম্মত একমাত্র পত্রিকা
"দৈনিক আল ইহসান"

বিজ্ঞাপনের মুল্য তালিকা
নামাজের সময়সূচী
জেলা : ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকা
ওয়াক্তশুরুশেষ
সাহ্‌রীর শেষ সময়০৫:১০
ফজর০৫:১৫০৬:৩৩
ইশরাক০৬:৫৭০৮:০৭
চাশত্‌০৮:০৮১০:৫৫
জাওয়াল১১:৫৬যোহর নামায পড়ার পূর্ব পর্যন্ত
যোহর১১:৫৬০৩:৪০
আছর০৩:৪১০৪:৫৯
মাগরিব০৫:২২০৬:৩৬
আওয়াবীনবাদ মাগরিব০৬:৩৬
ইশা০৬:৩৭০৫:১১
তাহাজ্জুদ১১:১৬০৫:১১
আগামীকাল ফজর০৫:১৬০৬:৩৩
আগামীকাল সূর্যোদয়০৬:৩৪-
আজ সূর্যোদয়০৬:৩৪-
আজ সূর্যাস্ত০৫:১৭-
সূত্র: গবেষণা কেন্দ্র- মুহম্মদিয়া জামিয়া শরীফ, ঢাকা

 
Saieedul Aaiyad
Saieedul Aaiyad
Saieedul Aaiyad
RajarbagShareef.net
Radio 'Al-Hikmah'
Special Days in Islam
majlisu-ruiatil-hilal
International Voice Room
Noorun Alaa Noor
Donate for Daily Al Ihsan Shareef Donate for Daily Al Ihsan Shareef


» কোরআন শরীফের তরজমা ও তাফছির(তরজমায়ে মুজাদ্দিদে আজম)
» ফিক্বহুল হাদিস ওয়াল আছার
» আহ্‌লে সুন্নাত ওয়াল জামাতের আক্বীদা
» মারিফাতুছ ছাহাবা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম
» আউলীয়া-ই-কিরাম রহমতুল্লাহী আলাইহিম
 
» আত-তাক্বউইমুশ শামসি
» ইসলামের বিশেষ দিন সমূহ
» আহ্‌কামু রমাদ্বানাল মুবারক
» আহ্‌কামুয্‌যাকাত
(যাকাতের হুকুম-আহ্‌কাম)
» বিষয় ভিত্তিক বিশেষ প্রবন্ধ
 
» মাসিক আল বাইয়্যিনাত
» ওয়াজ শরীফ
» ক্বাছীদা আনজুমান
» মক্ববুল মুনাজাত শরীফ
» প্রকাশিত কিতাব সমূহ
 
» ফতওয়া বিভাগ
» সুওয়াল জাওয়াব বিভাগ
» মাসের ফজিলত ও প্রাসঙ্গিক আলোচনা
 
» পত্রিকার মূল সংস্করণ
 
» আপনার মতামত পাঠান
» আর্কাইভ থেকে পড়ুন
 
» সুন্নতি সামগ্রী
» কবিতা
» সবুজ বাংলা ব্লগ

 
মুজাদ্দিদে আ’যম হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম-উনার ক্বওল শরীফ
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘হে আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি বলে দিন, তোমরা মহান আল্লাহ পাক উনার ফযল ও রহমত মুবারক অর্থাৎ নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে পেয়েছো, তাই উনাকে পাওয়ার কারণে ঈদ উদযাপন তথা খুশি প্রকাশ করো।’
সারা বছর ধরে আমরা যে সম্মানিত পবিত্র রবীউল আউওয়াল শরীফ মাস উনার অপেক্ষায় থাকি সেই মহান মাস উনার চাঁদ-
পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের হুকুম অনুযায়ী খালি চোখে দেখে সঠিক তারিখে শুরু করা ফরয।
চাঁদ না দেখে পবিত্র রবীউল আউওয়াল শরীফ মাস শুরু করলে অসংখ্য মুসলমান উনারা সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ, সাইয়্যিদে ঈদে আ’যম, সাইয়্যিদে ঈদে আকবর পবিত্র ঈদে মীলাদুন নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম অর্থাৎ “পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ” উনার নিয়ামত মুবারক থেকে বঞ্চিত হবে।
তাই সউদী আরবসহ বিশ্বের সমস্ত দেশের শাসকগণের উচিত- এ ব্যাপারে যথেষ্ট সতর্কতা অবলম্বন করা এবং চাঁদ তালাশের ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা।
আপনাদের মতামত
সম্পাদকীয়
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সব সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত পবিত্র দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
সম্মানিত ইসলামী শরীয়াহ অনুযায়ী শোক প্রকাশের সময়সীমা তিনদিন। পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখাওয়া প্রদেশের রাজধানী পেশোয়ারে সেনাবাহিনী পরিচালিত স্কুলে দেড় শতাধিক নিহত হওয়ার ঘটনায় দেশটির প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরীফও তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করে। যা গতকাল ১৯শে ডিসেম্বর ইয়াওমুল জুমুআহ বা জুমুআ’বার শেষ হয়েছে। সঙ্গতকারণেই আজ থেকে এ শোককে শক্তিতে পরিণত করার প্রয়াস পূর্ণ উদ্যমে শুরু করার অবকাশ রাখে।
প্রথমতঃ যে বিষয়টি দৈনিক আল ইহসান শরীফ উনার পর্যবেক্ষণে প্রতিভাত হয়েছে, পাকিস্তান সেনাবাহিনী ব্রিটিশ সেনাবাহিনীর অনুলিপি বা অনুকরণ প্রক্রিয়া মাত্র। অথচ পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ হিসেবে তাদের মাঝে সম্মানিত ইসলামী প্রজ্ঞা প্রতিফলিত হওয়া আবশ্যক ছিল এবং তদপ্রেক্ষিতে সর্বাগ্রে সঠিক সংবাদটি আহরণের, মূল্যায়নের সক্রিয় তৎপরতা থাকা বাঞ্ছিত ছিল। কিন্তু কাঙ্খিত এ বিষয়টি বাস্তবায়নে তারা ১৯৭১ সালেও ভুল করেছে এবং এখনো ন্যক্কারজনকভাবে সে পথেই চলছে।
১৯৭১ সালের ১৬ই ডিসেম্বরের ঘটনা থেকে তারা শিক্ষা নেয়নি। যে কারণে তার ৪৩ বছর পর একই ১৬ ডিসেম্বরে তারা আরেকটি বিপর্যয়ের শিকার হলো। ১৯৭১ সালে পাকিস্তান সেনাবাহিনী এ সংবাদ আহরণে ব্যর্থ হয়েছিল যে, বাংলাদেশের ৯৭ ভাগ জনগোষ্ঠী সাচ্চা মুসলমান। তাদেরকে হত্যা করা হারাম। তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করা হারাম। আর তাদের প্রতি যুদ্ধ চাপিয়ে দিলে তারা বেইনসাফীর বিরুদ্ধে অকাতরে শহীদ হতে পারেন- এ সত্য উপলব্ধিতে তাদের নিষ্ক্রিয়তাই তাদেরকে ১৯৭১ সালে এরকম কলঙ্কিত পরাজয়বরণ করতে বাধ্য করেছিলো।
একইভাবে পাকিস্তান সেনাবাহিনী ২০১৪ সালেও বুঝতে অক্ষম হয়েছে যে, গত ১৯শে জুন (২০১৪) তালেবান নামধারী সন্ত্রাসবাদীদের মূলঘাঁটি ওয়াজিরিস্তানে জারব-ই-আযাব (তীক্ষ্ম ও প্রবল আঘাত) নামে অভিযান চালানোর পর সন্ত্রাসবাদীরা বিশেষ প্রতিহিংসাপরায়ণ হয়ে উঠতে পারে। বিশেষ করে কমবেশি ১৩টি সন্ত্রাসী গ্রুপের সমন্বয়ে সংগঠিত তেহরিক-ই তালিবান পাকিস্তান (টিটিপি) ২০০৭ সাল থেকেই পাকিস্তান রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে তাদের ভাষায় জিহাদ চালিয়ে আসছে। এবং এ পর্যন্ত সেনাসদস্যসহ হাজার হাজার পাকিস্তানীকে শহীদ করেছে। নাঊযুবিল্লাহ! এ ভয়াবহ রেকর্ড থাকার পরও আজকের চরম মুহূর্তে পাকিস্তানী সেনাবাহিনীর কি আরো সতর্ক হওয়া উচিত ছিল না? অপরদিকে মাত্র ৬ জন তালেবান নামধারী সন্ত্রাসী কিভাবে পাকিস্তানের বিশেষ সুরক্ষিত সেনানিবাসের অনেক অভ্যন্তরে সেনাবাহিনীর পোশাক পরে ঢুকে পড়লো; এটা কি গোটা পাকিস্তান সেনাবাহিনীর দক্ষতা, সতর্কতা সম্পর্কে সন্দিহান করে তোলে না? এর আগেও খোদ পাকিস্তান সেনাবাহিনী এলাকা আবেতাবাদে লাদেনের অবস্থান আবিষ্কার এবং পাকিস্তান সেনাবাহিনীর সম্পূর্ণ অজ্ঞাতসারে মার্কিন সেনাবাহিনীর প্রবেশ ও লাদেন হত্যাকা- সম্পন্ন; এসব কিছুও কি পাকিস্তান সেনাবাহিনীর সর্বোচ্চ হুঁশিয়ার থাকার সেনাসুলভ মানসিকতা ও যোগ্যতা সম্পর্কে সন্দিহান করে তোলে না? সঙ্গতকারণেই আমরা মনে করি, একটি মুসলিম দেশের সেনাবাহিনীর জন্য প্রচলিত কায়দায় অনুশীলন আদৌ যথার্থ নয়। সম্মানিত ইসলামী মূল্যবোধের উজ্জীবনই মূলত কাঙ্খিত সেনা চেতনার বিকাশ ঘটায়।
প্রসঙ্গতঃ আমরা মনে করি, পাকিস্তানসহ সব মুসলমানদেশের সেনাবাহিনীকে শুধু সন্ত্রাসবাদী বাহিনী সম্পর্কে সম্যক সচেতন হলেই হবে না; পাশাপাশি মুসলমান নামধারীরা কেন সন্ত্রাসবাদী হয় অথবা সন্ত্রাসবাদী খাতায় সাধারণ মুসলমানদের অন্তর্ভুক্ত করার অবাধ সুযোগ পায়, সে বিষয়টিও তাদের গভীরভাবে তলিয়ে দেখতে হবে। বিশেষ করে তালেবান নামধারী সন্ত্রাসবাদীরা কি কারণে সাধারণ মুসলমানদেরকে বিভ্রান্ত করে নতুন তালেবান সন্ত্রাসবাদী তৈরি করা অব্যাহত রাখতে পারছে, সে বিষয়টিও বিশেষ উদঘাটন করতে হবে এবং তার জন্য যথাযথ ব্যবস্থাও গ্রহণ করতে হবে।
বলার অপেক্ষা রাখে না যে, তালেবান সন্ত্রাসবাদীরা পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার নামেই এ অপতৎপরতা চালিয়ে আসছে। প্রশ্ন হচ্ছে- তারা এ সুযোগ পাচ্ছে কেন? এটা কি তারা তখনই পায় না, যখন তারা সাধারণ মুসলমানকে বোঝাতে সক্ষম হয় যে- রাষ্ট্র ‘পবিত্র দ্বীন ইসলাম’ উনার সম্পর্কে শুধু উদাসীনই নয়, বরং পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার বিরোধী কাজে বিশেষ তৎপর। নাঊযুবিল্লাহ!
প্রসঙ্গত প্রশ্ন হচ্ছে, বর্তমান রাষ্ট্র কেন এক্ষেত্রে নিজেকে পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার বিষয়ে অকার্যকর প্রতিপন্ন করে? রাষ্ট্রই কি বরং বোঝাতে অগ্রণী হতে পারে না যে, তালেবান সন্ত্রাসবাদীরা নয়, বরং রাষ্ট্র নিজেই তালেবান সন্ত্রাসবাদীদের তুলনায় অনেক বেশি ‘পবিত্র দ্বীন ইসলাম’ উনার সেবক এবং পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার জন্য নিবেদিত। বলার অপেক্ষা রাখে না, রাষ্ট্র যদি এ ভাবটি ফুটিয়ে তুলতে পারে; তবে কি তালেবান সন্ত্রাসবাদীরা পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার দোহাই দিয়ে সাধারণ মুসলমানদের বিভ্রান্ত করে নতুন তালেবান সন্ত্রাসবাদী ক্যাডার রিক্রুট করতে পারে? কখনো নয়। মূলত রাষ্ট্রই যদি পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার পছন্দের বিষয়টি ফুটিয়ে তুলতে পারে, তবে পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার নামে তাদের সন্ত্রাসী অপতৎপরতা চালানোর নৈতিক দিকটিই স্খলিত হয়ে যায় তথা মেরুদ- ভেঙ্গে যায়। এবং অনিবার্যভাবে তথাকথিত তালেবান তথা সন্ত্রাসবাদীরা নিশ্চিহ্ন ও নির্মূল হওয়ার পথে হাঁটতে বাধ্য হয়। কিন্তু গভীর পরিতাপ ও দুঃখের বিষয় হলো- রাষ্ট্র সেনাবাহিনী চালিয়ে তালেবানবিরোধী অভিযানে যত হম্বিতম্বি দেখায়, তার পাশাপাশি পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার আলোকে সহজ সমাধানের পথে ধাবিত হওয়ার ক্ষেত্রে আদৌ আগ্রহী নয়। আমরা মনে করি, এটা সেনাবাহিনীর, রাষ্ট্রের নীতি নির্ধারকদের চরম অজ্ঞতা। যাকে সত্যিকার অর্থে তালেবান নির্মুলের বিপরীতে তালেবান পৃষ্ঠপোষকতার প্রবণতা বললেও অযৌক্তিক ও অন্যায় কোনোটাই হয় না। সঙ্গতকারণেই এ অন্যায় বলয় হতে বর্তমান রাষ্ট্রের বেরিয়ে আসা উচিত।
প্রসঙ্গত, পেশোয়ারের স্কুল শহীদের ঘটনায় শুধু পাকিস্তানবাসীই নয়; গোটা মুসলিম বিশ্ব ভাষাহীন ও বাকরুদ্ধভাবে মর্মাহত এবং তথাকথিত তালেবানের প্রতি মহাসংক্ষুব্ধ। এ সম্মিলিত ক্ষোভের অনলে তালেবানদের জ্বলে-পুড়ে ছারখার হওয়ার অবস্থা। কিন্তু তারপরেও তালেবানরা বেঁচে থাকার সুযোগ পায় কি করে? যদি শহীদ স্কুলছাত্রদের স্মরণে শুধু পবিত্র মীলাদ শরীফ পাঠ করা হচ্ছে, পবিত্র কুরআন শরীফ খতম করা হচ্ছে, মহিমান্বিত মুনাজাত শরীফ হচ্ছে; তাহলে সত্যিই তালেবানদের অস্তিত্ব বানের পানিতে খড়কুটোর মতো ভেসে যেতো। কিন্তু যখন শহীদ ছাত্রদের স্মরণের নামে ১৫০০ সালে বিধর্মীদের দ্বারা প্রবর্তিত মোমবাতি দ্বারা প্রার্থনার সংস্কৃতি অনুশীলন করা হয়; কট্টর মুসলিমবিদ্বেষী হিন্দু মোদীর রীতি অনুযায়ী নীরবতা দ্বারা স্মরণ করা হয়, হিন্দু দেবতাদের পূজার মতো ফুল দ্বারা শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়, কফিনে, কবর স্থানে ফুল সমর্পণ করা হয়; তখনই তালেবান তথা সন্ত্রাসবাদীরা এ চেতনা বিস্তার করার সুযোগ পায় যে- ঐসব হারাম, কুফরী, শিরকী কাজের মর্মমূলে কুঠারাঘাত করার জন্যই এবং পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনাকে রক্ষার জন্যই দরকার তালেবান তথা সন্ত্রাসবাদী তৎপরতা। নাঊযুবিল্লাহ!
সঙ্গতকারণেই আমরা মনে করি, পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার নামে যারা সন্ত্রাসবাদ চালায় তাদের নির্মূলের জন্য শুধুমাত্র অস্ত্রের জিহাদই যথেষ্ট নয়; পাশাপাশি আদর্শিক তথা পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার প্রতিফলনের কর্মসূচিও এখানে অনিবার্য। রাষ্ট্রীয়ভাবে পুষ্পস্তবক অর্পণ, শ্রদ্ধা নিবেদন, নীরবতা পালন, প্রজ্জ্বলিত আগুনে স্যালুট প্রদান, সঙ্গীত উচ্চারণ, ভাস্কর্য নির্মাণ, মূর্তি নির্মাণ ইত্যাদি সব অনৈসলামী ও শিরকী কাজ রাষ্ট্রীয়ভাবে প্রত্যাহারের দ্বারা ও জাতীয় জীবনের সর্বত্র ‘পবিত্র দ্বীন ইসলাম’ উনার প্রতিফলনের দ্বারা রাষ্ট্রকে ব্যক্ত করতে হবে যে- তালেবান বা সন্ত্রাসবাদীরা নয়, রাষ্ট্রই হবে ‘পবিত্র দ্বীন ইসলাম’ উনার প্রধান সেবক। পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার বিষয়ে কথা বলার অধিকার তালেবানের বা সন্ত্রাসবাদীদের নয়, বরং রাষ্ট্রের। পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার কাজ করার কর্তব্য তালেবান বা সন্ত্রাসবাদীদের নয়, বরং বর্তমান রাষ্ট্র তার নিজের।
উল্লেখ্য, বর্তমানে অন্যান্য রাষ্ট্রও সন্ত্রাসবাদীদের বিরুদ্ধে সমন্বিতভাবে কাজ চালাতে বিশেষভাবে সম্মত হয়েছে। প্রসঙ্গত আমরা মনে করি, এক্ষেত্রে সমন্বিতভাবে সবাই যদি পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার মূল্যায়নেই অগ্রবতী হয়, ইসলামফোবিয়া দূরীকরণে আন্তরিক হয়, তাহলে ইনশাআল্লাহ পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার নামে সন্ত্রাসবাদীদের ভিত্তিমূলটাই উৎখাত করা যায়। গোটা বিশ্ব থেকে এক নিমিষেই তালেবান তথা তাবৎ সন্ত্রাসবাদীদের এবং সন্ত্রাসবাদ নির্মূল করা যায়।
সদ্য ঘটে যাওয়া পাকিস্তানের দেড় শতাধিক শহীদ এবং তালেবান তথা সন্ত্রাসবাদীদের হামলায় সব শহীদদের রূহের প্রতি যথাযথ সম্মান ও প্রকৃত সমবেদনা জানানো যায়।
মূলত, এসব অনুভূতি ও দায়িত্ববোধ আসে পবিত্র ঈমান ও পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনাদের অনুভূতি ও প্রজ্ঞা থেকে। আর তার জন্য চাই নেক ছোহবত তথা মুবারক ফয়েজ-তাওয়াজ্জুহ।
যামানার ইমাম ও মুজতাহিদ, যামানার মুজাদ্দিদ, মুজাদ্দিদে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার নেক ছোহবতেই সে মহান ও অমূল্য নিয়ামত হাছিল সম্ভব। খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি আমাদেরকে তা নছীব করুন। (আমীন)
দেশের খবর
পানি সঙ্কট: রান্না-বান্না, অজু-গোসল বিঘ্ন
‘বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্ব নিয়মিতই আ.লীগের সঙ্গে যোগাযোগ করছে’
‘সিপিএ, আইপিইউ’র পদ টাকায় কেনা’
তদন্ত কমিটিকে শ্যালা নদীতে চুবাতে চাইলেন আনু মুহাম্মদ
সুন্দরবনের সব গাছ মারা যাবে - পরিবেশ ও বনমন্ত্রী
ছয় উছুলী তাবলীগের শীর্ষ মুরুব্বীদের মধ্যে অন্তর্দ্বন্দ্ব চরমে ॥
পরস্পরের বিরুদ্ধে অনিয়ম, দুর্নীতি ও সন্ত্রাসের অভিযোগ ॥
অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে কাকরাইল মসজিদ থেকে ২৪ কর্মী আটক
চিন্তা বাড়াচ্ছে নদী সমীক্ষার রিপোর্ট
‘নৈতিকতা হারানো দুই দল আওয়ামী লীগ ও বিএনপি’
এক মাসে ইন্টারনেট সংযোগ কমেছে ১১ লাখ
খালেদাকে ‘বেয়াদব’ বললেন কামরুল
শিক্ষিত কৃষকদের উদ্যোগে অন্য রকম হাট
মালদ্বীপে পানি দিয়ে দেশে ফিরেছে ‘সমুদ্রজয়’
ঋণের চাহিদা নেই, ব্যাংকে জমছে অলস টাকা
ব্যয় ১৩৩৫ কোটি
ওয়েস্টার্ন গ্রিড নেটওয়ার্কের আওতায় আসছে ১৫ উপজেলা
বিদ্যুতে ভারতের আরও সহযোগিতা চাইলেন রাষ্ট্রপতি
কদু চাষে লাভ বেশি
বেগম জিয়া হুমকি দিবেন না -নাসিম
সুন্দরবন পরিষ্কারে সহায়তা করতে জাতিসংঘ দল ঢাকায়
নাটোরে দুই পক্ষের সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ ৩১
মগবাজার-মৌচাক ফ্লাইওভার:
অক্টোবরে দুর্ভোগের অবসান!
স্কুল ব্যাংকিংয়ে সফলতা: সঞ্চয় ৬১২ কোটি টাকা
লোকসান নিয়ে চালু হচ্ছে ঠাকুরগাঁও চিনিকল
Anjuman-e Al Baiyinaat, Sweden
কবিতা






For the satisfaction of Mamduh Hazrat Murshid Qeebla Alaihis Salam
Site designed & developed by Muhammad Shohel Iqbal