 |
 |
 |
 |
যামানার লক্ষ্যস্থল ওলীআল্লাহ, যামানার ইমাম ও মুজতাহিদ, ইমামুল আ’ইম্মাহ, মুহইস সুন্নাহ, ক্বাইয়্যুমুয্ যামান, কুতুবুল আলম, হুজ্জাতুল ইসলাম, সুলত্বানুল আউলিয়া ওয়াল মাশায়িখ, ছাহিবু সুলত্বানিন নাছীর, মাহিউল বিদয়াহ, রসূলে নুমা, গাউছুল আ’যম, সাইয়্যিদুল আউলিয়া, ইমামুল উমাম, সাইয়্যিদুল খুলাফা, আস সাফফাহ, হাবীবুল্লাহ্, আওলাদে রসূল, রাজারবাগ শরীফ-এর মুর্শিদ ক্বিবলাহ
|
 |
 |
বিশ্বের সমস্ত দেশ থেকে পঠিত আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাত এর আক্বীদায় প্রতিষ্ঠিত একমাত্র আন্তর্জাতিক ইসলামী পত্রিকা
১৫ মাহে রজবুল হারাম, ১৪৩৪ হিজরী, ২৭ সানি আ’শির, ১৩৮০ শামসি
২৬ মে, ২০১৩ ঈসায়ী সন, ১২ জৈষ্ঠ, ১৪২০ ফসলী সন
ইয়াওমুল আহাদি (রোববার)
|
 |
 |
|
|
|
|
|
 |
 |
 |
| ওয়াক্ত | শুরু | শেষ | | সাহ্রীর শেষ সময় | | ০৩:৪৪ | | ফজর | ০৩:৪৯ | ০৫:১১ | | ইশরাক | ০৫:৩৫ | ০৭:১১ | | চাশত্ | ০৭:১৩ | ১০:৫৫ | | জাওয়াল | ১১:৫৬ | যোহর নামায পড়ার পূর্ব পর্যন্ত | | যোহর | ১১:৫৬ | ০৪:৩৫ | | আছর | ০৪:৩৬ | ০৬:২১ | | মাগরিব | ০৬:৪৪ | ০৮:০৩ | | আওয়াবীন | বাদ মাগরিব | ০৮:০৩ | | ইশা | ০৮:০৪ | ০৩:৪৩ | | তাহাজ্জুদ | ১১:১৪ | ০৩:৪৩ | | আগামীকাল ফজর | ০৩:৪৮ | ০৫:১০ | | আগামীকাল সূর্যোদয় | ০৫:১১ | - | | আজ সূর্যোদয় | ০৫:১২ | - | | আজ সূর্যাস্ত | ০৬:৩৯ | - | | সূত্র: গবেষণা কেন্দ্র- মুহম্মদিয়া জামিয়া শরীফ, ঢাকা |
|
 |
 |
 |
 |
|
|





 |
 |
 |
 |
| » |
|
| » |
|
| » |
|
| » |
|
| » |
|
| |
| » |
|
| » |
|
| » |
|
| » |
|
| » |
|
| |
| » |
|
| » |
|
| » |
|
| » |
|
| » |
|
| |
| » |
|
| » |
|
| » |
|
| |
| » |
|
| |
| » |
|
| » |
|
| |
| » |
|
| » |
|
| » |
|
|
 |
 |
 |
 |
|
|
 |
Loading...
 | সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র জীবনী মুবারক (৮৭৪) |  | পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফ, পবিত্র ইজমা শরীফ ও পবিত্র ক্বিয়াস শরীফ উনাদের দৃষ্টিতে পবিত্র মীলাদ শরীফ ও পবিত্র ক্বিয়াম শরীফ উনাদের সঠিক ও গ্রহণযোগ্য ফায়ছালা (২০) |  | সুলত্বানুল মাশায়িখ, ইমামুল মুহসিনীন, ফখরুল আশিকীন, ইমামুছ ছিদ্দীক্বীন, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমাম আবু আবদিল্লাহ জা’ফর ছাদিক্ব আলাইহিস্ সালাম উনার সীমাহীন পবিত্রতম কারামত মুবারক |  | হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের পরে হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম তিনি আধুনিক বিজ্ঞানের সূচনাকারী। |
|
 |
 |
Loading...
|
 |
 |
Loading...
 | সমস্ত প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ মুবারক ও সালাম মুবারক। একথা সর্বজনবিদিত যে, দেশের গার্মেন্টস শ্রমিকদের অধিকাংশই মহিলা। কিন্তু গার্মেন্টস শ্রমিকের নামে যখন ভাংচুর বিক্ষোভ হয় তখন গুটিকতক মহিলারও দেখা মেলেনা। এতে প্রতিভাত হয় যে, কথিত ভাংচুর-বিক্ষোভের মধ্যে আসলে সাধারণ শ্রমিকের উপস্থিতি ও আগ্রহ কম। আল ইহসান বার্তা সংস্থার পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, এরা অধিকাংশই ভাড়াটিয়া গু-া ও বিদেশী এজেন্ট। বিশেষ করে প্রতিবেশী দেশটির বিশেষ ইন্ধনে এরা বিশেষভাবে কাজ করে যাচ্ছে। এ চক্রে রয়েছে শ্রমিক নামধারী কতিপয় স্বার্থান্বেষী ও সুযোগসন্ধানী ব্যক্তি। তারা এই শিল্পাঞ্চলের বিভিন্ন তৈরি পোশাক কারখানায় শ্রমিক বেশে নামমাত্র কাজ করে ও সময়-সুযোগ মতো বিক্ষোভে অংশ নেয়। শুধু বেতন-ভাতার জন্য শ্রমিকরা আন্দোলন করছে একথা আসলে সত্য নয়। গত ২৮ এপ্রিলের পর আশুলিয়া শিল্পাঞ্চল অস্থিতিশীল হয়ে উঠে। প্রতিদিনই সেখানে নানা অজুহাতে শ্রমিক বিক্ষোভের মুখে কোন না কোন কারখানা বন্ধ থাকছে। জানা গেছে, ওই অঞ্চলের কারখানাগুলো উদ্যোক্তাদের নিজস্ব ভবনের মধ্যেই অবস্থিত। এরা যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপের ক্রেতাদের কাছে পোশাক সরবরাহ করে থাকে। অন্য যে কোন অঞ্চলের চেয়ে এখানকার শ্রমিকদের বেতন ভালো। সুযোগ-সুবিধাও বেশি। তাই এসব কারখানার শ্রমিকদের বিক্ষোভ করার কথা নয়। মালিকদের একটি পক্ষ জানিয়েছে, আশুলিয়ার সব বড় বড় কারখানায় ওই চক্রটির ২৫ থেকে ৩০ জন শ্রমিক হিসেবে কর্মরত। তারা কোনদিনও কাজ করে না। সকালে যথাসময়ে হাজিরা দিয়ে তারা বের হয়ে যায়। এরপর শিল্প এলাকার বিভিন্ন পয়েন্টে জড়ো হয়ে শুরু করে বিক্ষোভ। মালিকরা দাবি করেন, চক্রটিকে তারা ভালোভাবেই চেনেন। সরকারের বিভিন্ন এজেন্সির কাছেও তাদের বিষয়ে তথ্য রয়েছে। তবে আরো অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির ভয়ে মালিকরা তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে সাহস পায় না। বলাবাহুল্য, সব কারখানা শ্রমিকদের সমান সুযোগ সুবিধা দিতে পারে না। তবে অনেকে হাজিরা বোনাস দিচ্ছে। ওভারটাইম দিচ্ছে। তারপরও শ্রমিক বিক্ষোভের ঘটনা রহস্যজনক। বিগত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে আশুলিয়ায় শ্রমিক অসন্তোষের জন্য দায়ী করে মেহেদী নামের এক শ্রমিককে গ্রেফতার করা হয়। বেশ কিছুদিন তার কর্মকা- পর্যবেক্ষণের পর তাকে আটক করা হলে শ্রমিক অসন্তোষ থেমে যায়। মূলত সব সময় এরকম কোন শক্তি সেরকম কাজ করছে। সরকারের উচিত এ শক্তির উৎস খুঁজে বের করা। প্রসঙ্গত গার্মেন্টস শ্রমিক আমিনুল হত্যাকা-ের পর আমেরিকা কী পরিমাণ চাপ দিয়েছে এদেশবাসী তা গভীর বিস্ময়ের সাথে পর্যবেক্ষণ করেছে। রহস্যজনক হলো, যে আমিনুলকে সহকর্মীরা ভালো করে চিনেনা, দেশের শ্রমিক সংগঠনগুলোও ভালো করে জানেনা সে আমিনুলকে নিয়ে হাজার হাজার মাইল দূরবর্তী আমেরিকার এত মাথাব্যথা কেন? তবে কী প্রমাণিত হয়না? আমিনুল ছিল আমেরিকার এজেন্ট। মূলত এ বিদেশী এজেন্টরাই এদেশের গার্মেন্টস খাতকে ধ্বংস করার জন্য উঠে পড়ে লেগেছে। প্রতিবেশী ভারতও তৈরি পোশাক রফতানি করছে। ৮০-এর দশকের মাঝামাঝি সময়ে এদেশের তৈরি পোশাক শিল্প মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে শুরু করলে তখনই ভারত চক্রান্ত শুরু করে। ভারতে অবস্থানরত ফ্রান্সের বিশিষ্ট ক্রেতা লারাডকে ভারতের ব্যবসায়ীরা হামলা-ভাংচুরের চিত্র দেখিয়ে বাংলাদেশে না এসে ভারত থেকে পোশাক কেনার কথা বলে। বাংলাদেশের গার্মেন্টস শিল্পকে ধ্বংস করার জন্য দেশি-বিদেশী চক্রান্তকারীরা চক্রান্ত করে যাচ্ছে, এমন কথা বারবার সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশ পাচ্ছে। মালিক পক্ষও ইতোপূর্বে বারবার বলেছেন যে, এর পিছনে বাইরের শক্তি জড়িত। এই বাইরের শক্তিরা চক্রান্তকারীরা ধরাছোঁয়ার বাইরেই থেকে যাচ্ছে। তারা এদেশের প্রধান রফতানি খাত গার্মেন্টস শিল্পকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিচ্ছে। কিন্তু সরকারের একক কোন অবস্থান থেকে নিয়ন্ত্রণ নেই ২০ বিলিয়ন ডলারের একটি শিল্প খাতের উপর। সরকারের অন্তত ৭টি মন্ত্রণালয়ের ১৯টি সংস্থা থেকে অনুমোদন নিয়ে একটি কারখানার কার্যক্রম শুরু হলেও এসব মন্ত্রণালয় ও সংস্থার মধ্যে সমন্বয় না থাকা এবং এ খাতের বিকাশের সঙ্গে সংস্থাগুলোর সক্ষমতার বিকাশ না হওয়ায় এ শিল্প চলছে পুরোটাই নিয়ন্ত্রণহীনভাবে। সরকারের নিয়ন্ত্রণ না থাকায় এ শিল্পকে ঘিরে গড়ে উঠেছে অর্ধশতাধিক শ্রমিক সংগঠন, এনজিওসহ বিভিন্ন সংস্থা। শ্রমিকদের অধিকার প্রতিষ্ঠা, দক্ষতা বৃদ্ধি, কর্মপরিবেশ উন্নত করা, কারখানার উৎপাদন সক্ষমতা বাড়ানো, কমপ্লায়েন্স প্রতিষ্ঠাসহ বিভিন্ন নামে এসব সংস্থা বিদেশি সাহায্য এনে লোপাট করছে এমন অভিযোগও রয়েছে। অনেক ক্ষেত্রেই শ্রমিকদের উসকানি দেয়াসহ এ শিল্পের জন্য নেতিবাচক প্রচারণায় অংশ নিচ্ছে সংগঠনগুলো। আবার অনেক সংস্থা দেশে যোগ্য কারিগরি জনবল তৈরি হওয়া সত্ত্বেও বিদেশিদের নিয়ে এসে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করছে। এতে প্রতিযোগী দেশগুলোর হয়ে তারা কোন ষড়যন্ত্রের সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে কি-না তাও খতিয়ে দেখার কেউ নেই। সরকারের নিরেট নিষ্ক্রিয়তা, মনিটরিং ও নিয়ন্ত্রণহীনতা সত্যিই দুর্ভাগ্যজনক ও আত্মঘাতী। সরকার যদি দেশের স্বার্থ সংরক্ষণে নিবেদিত না হয় তবে জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত জাগরণের কোন বিকল্প নেই। মূলত এসব অনুভূতি ও দায়িত্ববোধ আসে পবিত্র ঈমান ও পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনাদের অনুভূতি ও প্রজ্ঞা থেকে। আর তার জন্য চাই নেক ছোহবত তথা মুবারক ফয়েজ-তাওয়াজ্জুহ। যামানার ইমাম ও মুজতাহিদ, যামানার মুজাদ্দিদ, মুজাদ্দিদে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার নেক ছোহবতেই সে মহান ও অমূল্য নিয়ামত হাছিল সম্ভব। খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি আমাদের তা নছীব করুন। (আমীন)
|
|
 |
 |
Loading...
|
 |
 |
Loading...
|
 |
 |
Loading...
|
 |
 |
Loading...
|
 |
|
|
 |
 |
 |
|
 |
 |
 |
 |
For the satisfaction of Mamduh Hazrat Murshid Qeebla Alaihis Salam
Site designed & developed by Muhammad Shohel Iqbal
|
 |
|
|